কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন, আ. রহিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলমগীর হোসেন, সাব্বির হোসেন, কামরুল হাসান (আলম), মুন্না মিয়া, সামিন ইয়াসির (সাদাফ), রাতুল, এইচ এম জাকারিয়া রহমান ওমান, মিনহাজুল ইসলাম ফাহাদ, সোহেল আহমেদ, সোহরাব, হযরত আলী, আজহারুল ইসলাম মাসুদ, চাঁন মিয়া, হাবিব সিকদার, জহির হোসেন, মেহেদী হাসান, কবির ভাণ্ডারী, বাবুল গোপ, ফরিদ আহমেদ, ইন্দ্রনীল দেব শর্মা, নজরুল ইসলাম ও মাসুদ হাসান শামীম।
এর আগে ১২ সেপ্টেম্বর তাদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌঁনে ১২টার দিকে গুলশান থানার ৩ নম্বর সড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অজ্ঞাতনামা ৮০ থেকে ১০০ জন নেতাকর্মী পাকা রাস্তায় জড়ো হয়ে বিস্ফোরক দ্রব্য বহন করে মিছিল নিয়ে পুলিশ প্লাজার দিকে রওয়ানা হয়। এসময় তারা সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ ও এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 

























