বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানকে ১১২ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ৩ ওভারেই ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে ১১২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে লিটন দাসের দল।

নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে বৃষ্টিবিঘ্নিত এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালের খেলা বিলম্বিত হওয়াতে ৭ ওভার কমে যায়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রান করেছে বাংলাদেশ।

প্রথম তিন ওভারে তানজিদ হাসান, লিটন দাস ও পারভেজ হোসেনের বিদায়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পরে সাইফ হাসান কিছুটা সামাল দিলেও ১৭ বলে ১৯ রান করে তিনিও ফিরে যান ৪৫ রানে। তখন দলের স্কোর ৭ ওভারে ৪ উইকেটে ৪৫।

এরপরই ক্রিজে আসেন তাওহীদ হৃদয়। পাকিস্তানের স্পিনারদের সামলাতে গিয়ে যেখানে অন্য ব্যাটসম্যানরা হিমশিম খাচ্ছিলেন, সেখানে একের পর এক বাউন্ডারিতে রান তুলতে থাকেন তিনি। মাত্র ২৫ বলে ৪৫ রানের ইনিংসে মেরেছেন চারটি ছক্কা ও একটি চার। তার ব্যাটেই শেষ দিকে দ্রুত রান তুলতে শুরু করে বাংলাদেশ।

হৃদয়ের সঙ্গে মোসাদ্দেক হোসেনও কিছুটা সঙ্গ দেন। ১৬ বলে ১১ রান করে তিনি আউট হওয়ার পর শেষদিকে মেহেদী হাসানের ৪ বলে অপরাজিত ৮ রান বাংলাদেশকে ১১১ পর্যন্ত নিয়ে যায়। হৃদয় আউট হন ১২তম ওভারে, ১০৩ রানে।

এখন দায়িত্ব বোলারদের। বিশেষ করে স্পিনারদের। কারণ শুরু থেকেই ফাটল ধরা এই উইকেটে বল থেমে আসছে, আবার কখনো অপ্রত্যাশিতভাবে ঘুরছেও। বাংলাদেশের একাদশেও চার স্পিনারের ওপর রাখা হয়েছে বড় ভরসা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পাকিস্তানকে ১১২ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

প্রকাশিত সময় : ০৯:১৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ৩ ওভারেই ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে ১১২ রানের লক্ষ্য দিয়েছে লিটন দাসের দল।

নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে বৃষ্টিবিঘ্নিত এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালের খেলা বিলম্বিত হওয়াতে ৭ ওভার কমে যায়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রান করেছে বাংলাদেশ।

প্রথম তিন ওভারে তানজিদ হাসান, লিটন দাস ও পারভেজ হোসেনের বিদায়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পরে সাইফ হাসান কিছুটা সামাল দিলেও ১৭ বলে ১৯ রান করে তিনিও ফিরে যান ৪৫ রানে। তখন দলের স্কোর ৭ ওভারে ৪ উইকেটে ৪৫।

এরপরই ক্রিজে আসেন তাওহীদ হৃদয়। পাকিস্তানের স্পিনারদের সামলাতে গিয়ে যেখানে অন্য ব্যাটসম্যানরা হিমশিম খাচ্ছিলেন, সেখানে একের পর এক বাউন্ডারিতে রান তুলতে থাকেন তিনি। মাত্র ২৫ বলে ৪৫ রানের ইনিংসে মেরেছেন চারটি ছক্কা ও একটি চার। তার ব্যাটেই শেষ দিকে দ্রুত রান তুলতে শুরু করে বাংলাদেশ।

হৃদয়ের সঙ্গে মোসাদ্দেক হোসেনও কিছুটা সঙ্গ দেন। ১৬ বলে ১১ রান করে তিনি আউট হওয়ার পর শেষদিকে মেহেদী হাসানের ৪ বলে অপরাজিত ৮ রান বাংলাদেশকে ১১১ পর্যন্ত নিয়ে যায়। হৃদয় আউট হন ১২তম ওভারে, ১০৩ রানে।

এখন দায়িত্ব বোলারদের। বিশেষ করে স্পিনারদের। কারণ শুরু থেকেই ফাটল ধরা এই উইকেটে বল থেমে আসছে, আবার কখনো অপ্রত্যাশিতভাবে ঘুরছেও। বাংলাদেশের একাদশেও চার স্পিনারের ওপর রাখা হয়েছে বড় ভরসা।