শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্টারমার যুক্তরাজ্যেই আছেন : ভুল স্বীকার করলেন প্রেসসচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম মঙ্গলবার বলেছিলেন, কিয়ার স্টারমার এই মুহূর্তে যুক্তরাজ্যে নেই বলে আমরা শুনেছি। তিনি কানাডায় অবস্থান করছেন। তবে এ বিষয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসসচিব। তিনি বলেন, স্টারমার যুক্তরাজ্যেই আছেন।

এখানে একটি মিসটেক (ভুল) হয়েছে। বুধবার (১১ জুন) লন্ডনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই ভুলের কথা স্বীকার করেন।
প্রেসসচিব বলেন, গতকাল প্রেস কনফারেন্সে আমি বলেছিলাম, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এমপি বলেছিলেন যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সম্ভবত কানাডায় গিয়েছেন। এটাকে অনেকে মিস ইন্টারপ্রেট করেছেন।

আমি বলেছি সম্ভবত। তারপরও আমার একটা মিসটেক হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আমরা যখন দেখলাম, কারেক্ট (সংশোধন) করেছি। উনি এখানেই (যুক্তরাজ্যেই) আছেন।
তিনি আরো বলেন, ব্রিটেনে স্পেন্ডিং রিভিউ (ভবিষ্যৎ ব্যয়ের পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ) চলছে। বাজেটের স্পেন্ডিং কিভাবে কী হচ্ছে, সেটা রিভিউ হচ্ছে। এটা নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ব্যস্ত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

স্টারমার যুক্তরাজ্যেই আছেন : ভুল স্বীকার করলেন প্রেসসচিব

প্রকাশিত সময় : ১২:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম মঙ্গলবার বলেছিলেন, কিয়ার স্টারমার এই মুহূর্তে যুক্তরাজ্যে নেই বলে আমরা শুনেছি। তিনি কানাডায় অবস্থান করছেন। তবে এ বিষয়ে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রেসসচিব। তিনি বলেন, স্টারমার যুক্তরাজ্যেই আছেন।

এখানে একটি মিসটেক (ভুল) হয়েছে। বুধবার (১১ জুন) লন্ডনে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই ভুলের কথা স্বীকার করেন।
প্রেসসচিব বলেন, গতকাল প্রেস কনফারেন্সে আমি বলেছিলাম, ব্রিটিশ পার্লামেন্টের এমপি বলেছিলেন যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সম্ভবত কানাডায় গিয়েছেন। এটাকে অনেকে মিস ইন্টারপ্রেট করেছেন।

আমি বলেছি সম্ভবত। তারপরও আমার একটা মিসটেক হয়েছে। পরবর্তী সময়ে আমরা যখন দেখলাম, কারেক্ট (সংশোধন) করেছি। উনি এখানেই (যুক্তরাজ্যেই) আছেন।
তিনি আরো বলেন, ব্রিটেনে স্পেন্ডিং রিভিউ (ভবিষ্যৎ ব্যয়ের পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ) চলছে। বাজেটের স্পেন্ডিং কিভাবে কী হচ্ছে, সেটা রিভিউ হচ্ছে। এটা নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ব্যস্ত।