বন বিভাগ জানায়, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি হরিণ শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকা পড়ে প্রায় ১০ বছর বয়সী বাঘিনীটি গুরুতর আহত হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ফাঁদে আটকে থাকায় তার সামনের বাঁ পায়ে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরে বন বিভাগের সদস্যরা উদ্ধার করে খুলনার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে টানা ছয় মাস চিকিৎসা ও পরিচর্যার মাধ্যমে তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা হয়।
অবমুক্তির পর বাঘিনীটির নিরাপত্তা ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণে আন্ধারমানিক এলাকার প্রায় আট কিলোমিটারজুড়ে ২০টি ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। স্যাটেলাইট কলার সংগ্রহ করা সম্ভব না হওয়ায় আপাতত এই ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমেই তার চলাচল পর্যবেক্ষণ করবে বন বিভাগ।
তবে বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন বনের বাইরে থাকার কারণে বাঘিনীটি তার আগের বিচরণক্ষেত্র ফিরে পাবে কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রয়োজনে তাকে নতুন এলাকা খুঁজে নিতে হতে পারে, যদিও বন বিভাগ আশাবাদী—সুস্থ হয়ে ওঠা বাঘিনীটি সুন্দরবনের স্বাভাবিক পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























