এ ধরনের অভিযোগকে নতুন কিছু মনে করেন না স্কালোনি। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের কথা, যখন আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জিতেছিল। স্কালোনির ভাষায়, তখনও একই ধরনের অভিযোগ শোনা গিয়েছিল।
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহার থাকায় রেফারিদের পক্ষপাতিত্বের সুযোগ খুবই সীমিত বলেও মন্তব্য করেন স্কালোনি। তার মতে, ভিএআর চালুর পর বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সুযোগ আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।
মিশরের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে বাতিল হওয়া গোল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লিসান্দ্রো মার্টিনেজের পায়ে স্পষ্ট ফাউল হয়েছিল এবং সেই সিদ্ধান্তে অন্য কোনো ব্যাখ্যার সুযোগ নেই।
এর আগেও কেপ ভার্দের বিপক্ষে নকআউট ম্যাচের আগে একই ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন স্কালোনি। তখন তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব ও ভিত্তিহীন আলোচনায় গুরুত্ব না দিতে।
সেই সময় তিনি বলেছিলেন, “এসবের সবচেয়ে সহজ সমাধান হলো সোশ্যাল মিডিয়া না দেখা। আপনি যদি এগুলো না পড়েন, তাহলে এসব বিতর্কও আপনার কাছে পৌঁছাবে না।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে নিজের হতাশাও প্রকাশ করেন আর্জেন্টাইন কোচ। তার মতে, বর্তমানে যে কেউ কোনো প্রমাণ ছাড়াই ইন্টারনেটে কিছু লিখে দিতে পারে, যা অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ার যেমন ইতিবাচক দিক আছে, তেমনি এর অপব্যবহারও রয়েছে। প্রমাণ ছাড়াই অনেক কিছু ভাইরাল হয়ে যায়। আমরা এসব বিষয়ে কোনো গুরুত্ব দিচ্ছি না।”

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























