বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজ অভিনেত্রী জয়া আহসান নিজ বাসায় অন্যরকম দিন কাটাচ্ছেন

আজ বাংলা নববর্ষের প্রথমদিন। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানাতে ভিন্নধর্মী ঘরোয়া আয়োজনে মাতলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। রাজধানীর নিজ বাসভবনেই তিনি সাজিয়ে তুলেছেন এক ছোটখাটো বৈশাখী মেলা।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রঙিন কাগজ, ঘুড়ি এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা উপকরণ দিয়ে পুরো বাড়িকে সাজানো হয় উৎসবের আমেজে। অতিথিদের জন্য ছিল দেশীয় নানা মুখরোচক খাবার-  মুড়কি, মোয়া, বাতাসা, গজা থেকে শুরু করে ফলমূলের বাহার। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ইলিশ, ভর্তা ও আরও বিভিন্ন বাঙালি পদে সাজানো হয় বিশেষ মেন্যু।

ঘরোয়া এই আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করতে বাড়ির আঙিনায় ছোট আকারে একটি বৈশাখী মেলার পরিবেশও তৈরি করেন জয়া আহসান। সেখানে ছিল ফুচকা বিক্রেতা এবং টিয়াপাখির ভবিষ্যদ্বাণীর মতো বিনোদনমূলক আয়োজন, যা অতিথিদের বাড়তি আনন্দ দেয়।অতিথি হিসেবে গিয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী , শরীফুল রাজসহ অনেকে।

আজ দুপুরের পরপরই তিনি ফেসবুক পেজে একটি ছবিও শেয়ার করেছেন।

জয়া আহসান বলেন, বৈশাখ তার কাছে কেবল একটি উৎসব নয়, বরং বাঙালির শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার একটি সময়। তিনি জানান, বছরের এই কয়েকটি দিন তিনি অন্য কোথাও না গিয়ে নিজের সংস্কৃতির মধ্যেই থাকতে পছন্দ করেন।

তিনি আরও বলেন, নববর্ষে পান্তা-ইলিশসহ ঐতিহ্যবাহী খাবার গ্রহণের পেছনে কৃষকদের প্রতি সম্মান জানানোও একটি উদ্দেশ্য। কারণ পান্তা ভাত কৃষিজীবী মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই এই খাবারের মাধ্যমে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি প্রচলিত রীতি তৈরি হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

আজ অভিনেত্রী জয়া আহসান নিজ বাসায় অন্যরকম দিন কাটাচ্ছেন

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
আজ বাংলা নববর্ষের প্রথমদিন। ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানাতে ভিন্নধর্মী ঘরোয়া আয়োজনে মাতলেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। রাজধানীর নিজ বাসভবনেই তিনি সাজিয়ে তুলেছেন এক ছোটখাটো বৈশাখী মেলা।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রঙিন কাগজ, ঘুড়ি এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা উপকরণ দিয়ে পুরো বাড়িকে সাজানো হয় উৎসবের আমেজে। অতিথিদের জন্য ছিল দেশীয় নানা মুখরোচক খাবার-  মুড়কি, মোয়া, বাতাসা, গজা থেকে শুরু করে ফলমূলের বাহার। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ইলিশ, ভর্তা ও আরও বিভিন্ন বাঙালি পদে সাজানো হয় বিশেষ মেন্যু।

ঘরোয়া এই আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করতে বাড়ির আঙিনায় ছোট আকারে একটি বৈশাখী মেলার পরিবেশও তৈরি করেন জয়া আহসান। সেখানে ছিল ফুচকা বিক্রেতা এবং টিয়াপাখির ভবিষ্যদ্বাণীর মতো বিনোদনমূলক আয়োজন, যা অতিথিদের বাড়তি আনন্দ দেয়।অতিথি হিসেবে গিয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী , শরীফুল রাজসহ অনেকে।

আজ দুপুরের পরপরই তিনি ফেসবুক পেজে একটি ছবিও শেয়ার করেছেন।

জয়া আহসান বলেন, বৈশাখ তার কাছে কেবল একটি উৎসব নয়, বরং বাঙালির শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকার একটি সময়। তিনি জানান, বছরের এই কয়েকটি দিন তিনি অন্য কোথাও না গিয়ে নিজের সংস্কৃতির মধ্যেই থাকতে পছন্দ করেন।

তিনি আরও বলেন, নববর্ষে পান্তা-ইলিশসহ ঐতিহ্যবাহী খাবার গ্রহণের পেছনে কৃষকদের প্রতি সম্মান জানানোও একটি উদ্দেশ্য। কারণ পান্তা ভাত কৃষিজীবী মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই এই খাবারের মাধ্যমে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি প্রচলিত রীতি তৈরি হয়েছে।