সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ, একজনের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গিয়ে বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কালাম (৪৭) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, রবিবার (১০ মে) সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি নয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ অন্যরা হলেন—সবজি বিক্রেতা কালামের স্ত্রী সালমা (৩৫), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৫)। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বরুকদিয়া এলাকায়।

উদ্ধারকারী রাকিব জানান, ভোরে বাসা থেকে আগুনে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

দগ্ধ সালমা বেগমের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন।

ভোরে কালাম রান্নাঘরে গিয়ে চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরে। পরে প্রাণ বাঁচাতে তারা কোনোভাবে বাইরে বের হয়ে আসেন।

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ, সালমার ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০ শতাংশ, মুন্নির ৩৫ শতাংশ এবং কথার ৫২ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক ছিল।

তিনি আরো জানান, অতিরিক্ত দগ্ধ হওয়ায় সোমবার সকাল ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কালামের মৃত্যু হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নারায়ণগঞ্জে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ, একজনের মৃত্যু

প্রকাশিত সময় : ০৪:৪০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার গিরিধারা এলাকায় গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গিয়ে বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কালাম (৪৭) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে, রবিবার (১০ মে) সকাল ৬টা ৫৫ মিনিটে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি নয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধ অন্যরা হলেন—সবজি বিক্রেতা কালামের স্ত্রী সালমা (৩৫), ছেলে মুন্না (১২) এবং দুই মেয়ে মুন্নি (১০) ও কথা (৫)। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বরুকদিয়া এলাকায়।

উদ্ধারকারী রাকিব জানান, ভোরে বাসা থেকে আগুনে দগ্ধ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

দগ্ধ সালমা বেগমের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন।

ভোরে কালাম রান্নাঘরে গিয়ে চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরে। পরে প্রাণ বাঁচাতে তারা কোনোভাবে বাইরে বের হয়ে আসেন।

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, দগ্ধদের মধ্যে কালামের শরীরের ৯৫ শতাংশ, সালমার ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০ শতাংশ, মুন্নির ৩৫ শতাংশ এবং কথার ৫২ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক ছিল।

তিনি আরো জানান, অতিরিক্ত দগ্ধ হওয়ায় সোমবার সকাল ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কালামের মৃত্যু হয়েছে।