বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষের পর আগুন, নিহত ৭

ভারতের রাজস্থানের দৌসার কাছে দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি যাত্রীবাহী স্লিপার বাসের সাথে বড় ট্রাকের (ট্রেলার) সংঘর্ষের পর আগুন লেগে ৭ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরো ২২ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি দ্রুত গতিতে ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের দিকে যাচ্ছিল। পথে এক্সপ্রেসওয়েতে একটি বড় ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে দুইটি যানবাহনেই আগুন ধরে যায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাসের ভেতরের ওপরের বার্থের যাত্রীরা ধাক্কা খেয়ে নিচে ছিটকে পড়েন।

নিহতদের মধ্যে ৫ জন আগুনে পুড়ে এবং ২ জন মাথায় আঘাত পেয়ে মারা গেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নিহতদের বেশিরভাগই দুর্ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসচালক হয়তো গাড়ি চালানোর সময় ঘুমিয়ে পড়েছিলেন অথবা বাসের অতিরিক্ত গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, উদ্ধারকারী ও দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছানোয় বাসে আটকে পড়া মানুষদের সময়মতো বাঁচানো যায়নি এবং প্রাণহানি বেড়েছে। এ ছাড়া বাসের মালামাল রাখার জায়গায় প্রচুর সিগারেটের প্যাকেট ছিল, যার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ভারতে বাস-ট্রাকের সংঘর্ষের পর আগুন, নিহত ৭

প্রকাশিত সময় : ০৪:২৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

ভারতের রাজস্থানের দৌসার কাছে দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে একটি যাত্রীবাহী স্লিপার বাসের সাথে বড় ট্রাকের (ট্রেলার) সংঘর্ষের পর আগুন লেগে ৭ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরো ২২ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি দ্রুত গতিতে ঋষিকেশ থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের দিকে যাচ্ছিল। পথে এক্সপ্রেসওয়েতে একটি বড় ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে দুইটি যানবাহনেই আগুন ধরে যায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাসের ভেতরের ওপরের বার্থের যাত্রীরা ধাক্কা খেয়ে নিচে ছিটকে পড়েন।

নিহতদের মধ্যে ৫ জন আগুনে পুড়ে এবং ২ জন মাথায় আঘাত পেয়ে মারা গেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নিহতদের বেশিরভাগই দুর্ঘটনার সময় ঘুমিয়ে ছিলেন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত দৌসা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন আহতদের মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বাসচালক হয়তো গাড়ি চালানোর সময় ঘুমিয়ে পড়েছিলেন অথবা বাসের অতিরিক্ত গতির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে, উদ্ধারকারী ও দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে পৌঁছানোয় বাসে আটকে পড়া মানুষদের সময়মতো বাঁচানো যায়নি এবং প্রাণহানি বেড়েছে। এ ছাড়া বাসের মালামাল রাখার জায়গায় প্রচুর সিগারেটের প্যাকেট ছিল, যার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে।