পত্রে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তার নামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের অপচেষ্টা ও প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন। যা তার কাছে অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পরিচিতি ও স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ণ রাখাই অধিকতর সমীচীন।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, শিবগঞ্জ-মোকামতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান, নিজ অর্থে জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে তিনি শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন। তাঁর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত মীরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীরবাড়ি সরকারি এতিমখানা, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয়, তিয়াইল মীর লাবনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম মৎস্য ও কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, বেতগাড়ি মীর মাহাতাব–শাহে আলম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, মোকামতলা মীর শাহে আলম–ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয়, কিচক মীর শাহে আলম কলেজ এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউটসহ বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত ও উন্নত হয়েছে।
পত্রের শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে অনুরোধ করেন, ইতিপূর্বে প্রতিষ্ঠিত এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরে তার বা তার পরিবারের কোনো সদস্যের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন করা না হয়। একই সঙ্গে তিনি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























