সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন : বিমানমন্ত্রী

চলতি বছরের শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

আজ রবিবার (২১ জুন) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আগামী ৩০ বছরের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

আফরোজা খানম বলেন, ‘বগুড়া বিমানবন্দরের কাজসহ দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোর কাজ শুরু করে বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের নেওয়া সিভিল এভিয়েশনের এ মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও অধিক সময়ের জন্য বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন লক্ষ্য, অগ্রাধিকার এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।

তিনি বলেন, ‘এ পরিকল্পনার আওতায় বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, এয়ার ন্যাভিগেশন সেবার আধুনিকায়ন, এয়ারলাইন্স খাতের সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশগত টেকসইতা নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মান ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সমন্বিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়, বেবিচক, সশস্ত্র বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

জাহিদ হাসানের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা, তবে ট্রফি দেখতে চান অন্য হাতে

চলতি বছরের শেষে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন : বিমানমন্ত্রী

প্রকাশিত সময় : ০৫:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

চলতি বছরের শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

আজ রবিবার (২১ জুন) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আগামী ৩০ বছরের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

আফরোজা খানম বলেন, ‘বগুড়া বিমানবন্দরের কাজসহ দেশের অন্যান্য বিমানবন্দরগুলোর কাজ শুরু করে বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আজকের নেওয়া সিভিল এভিয়েশনের এ মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর বা তারও অধিক সময়ের জন্য বাংলাদেশের বিমান চলাচল খাতের উন্নয়ন লক্ষ্য, অগ্রাধিকার এবং কৌশলগত দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে।

তিনি বলেন, ‘এ পরিকল্পনার আওতায় বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, এয়ার ন্যাভিগেশন সেবার আধুনিকায়ন, এয়ারলাইন্স খাতের সম্প্রসারণ, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশগত টেকসইতা নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মান ও চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সমন্বিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়, বেবিচক, সশস্ত্র বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।