মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় নেতৃত্ব দিয়েছে পাকিস্তান: শাহবাজ শরিফ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় পাকিস্তান শুধু আয়োজকের ভূমিকা পালন করেনি, বরং পুরো আলোচনাপ্রক্রিয়ায় নেতৃত্বও দিয়েছে। আলোচনায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং পুরো সংলাপ প্রক্রিয়ায় দেশটি চীনের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছে।

শাহবাজ শরিফ আরও জানান, তুরস্ক ও সৌদি আরবও পাকিস্তানের পাশে ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই তিন দেশ একসঙ্গে কাজ করে আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আলোচনাপ্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করেছে।

তিনি বলেন, আলোচনায় অংশ নেওয়া পক্ষগুলো এর আগে কখনো সরাসরি আলোচনার টেবিলে বসেনি। তবে এখন তারা আলোচনার কারিগরি বা প্রযুক্তিগত ধাপ এগিয়ে নেওয়ার কাজে যুক্ত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ‘পাকিস্তানের সব প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল সংলাপকে শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা।’

সূত্র: রয়টার্স

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

হাসিনাসহ ১০ জনের নামে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করতে পুলিশে দুদকের আবেদন

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় নেতৃত্ব দিয়েছে পাকিস্তান: শাহবাজ শরিফ

প্রকাশিত সময় : ০৬:৫২:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় পাকিস্তান শুধু আয়োজকের ভূমিকা পালন করেনি, বরং পুরো আলোচনাপ্রক্রিয়ায় নেতৃত্বও দিয়েছে। আলোচনায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং পুরো সংলাপ প্রক্রিয়ায় দেশটি চীনের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছে।

শাহবাজ শরিফ আরও জানান, তুরস্ক ও সৌদি আরবও পাকিস্তানের পাশে ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই তিন দেশ একসঙ্গে কাজ করে আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং আলোচনাপ্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সহযোগিতা করেছে।

তিনি বলেন, আলোচনায় অংশ নেওয়া পক্ষগুলো এর আগে কখনো সরাসরি আলোচনার টেবিলে বসেনি। তবে এখন তারা আলোচনার কারিগরি বা প্রযুক্তিগত ধাপ এগিয়ে নেওয়ার কাজে যুক্ত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, ‘পাকিস্তানের সব প্রচেষ্টার লক্ষ্য ছিল সংলাপকে শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখা।’

সূত্র: রয়টার্স