তারা অভিযোগ করেছে, ফ্রান্স ধারাবাহিকভাবে তাদের দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটির জাতীয় টেলিভিশনে পাঠ করা এক বিবৃতিতে বুরকিনা ফাসো সরকার ঘোষণা করেছে, ২৬ জুন, ২০২৬ তারিখ থেকে ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ফ্রান্স এই সিদ্ধান্তকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও ভিত্তিহীন’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং বলেছে, এটি বুরকিনা ফাসো কর্তৃপক্ষের ‘উদ্বেগজনক পরিবর্তনশীল আচরণ’ প্রকাশ করে। একই সঙ্গে ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে ভাবছে।
বুরকিনা ফাসো ও তার প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ গত এক দশক ধরে আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট জিহাদি সহিংসতার শিকার হয়ে আসছে।
সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সম্পর্কিত, তবে এটি ‘বুরকিনা ফাসো ও ফ্রান্সের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক, মানবিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্পর্ককে অস্বীকার করে না।’
সাম্প্রতিক সময়ে আফ্রিকার কিছু সাবেক উপনিবেশে ফ্রান্স-বিরোধী মনোভাব বেড়েছে। একই সঙ্গে মহাদেশটিতে রাশিয়া ও চীনের প্রভাবও বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে এটি নতুন এক কূটনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
১৯৬০-এর দশকের শুরু থেকে তারা বারবার সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার করেছে।
সূত্র: বাসস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 




















