আজ বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
এদিকে, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধন করে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন ‘নতুন নিয়মে পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদেরও কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।’
পরীক্ষকদের ওপর কাজের চাপ কমাতে এবং সুন্দরভাবে খাতা মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে এবার পরীক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সাথে জনপ্রতি খাতার সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
এহছানুল হক মিলন বলেন, ১৯৮০ সালের আইনকে আমরা পুরোপুরি পরিবর্তন করেছি। যেখানে প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি ও ম্যালপ্র্যাকটিসের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষক বা পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত কোনো কর্মকর্তা যদি এই অপরাধে জড়িত থাকেন, তবে তাদের কঠিন শাস্তি (দণ্ড) পোহাতে হবে। প্রশ্নফাঁসের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের ৩ সেট প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরাপত্তার বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবার পুলিশ প্রশাসনকে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যদের কাছে ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ থাকবে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরীক্ষা নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর বা ভুয়া খবর ছড়ালে সাইবার আইনের আওতায় তাদের আইনের মুখোমুখি করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
















