রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তেহরানে খামেনির প্রথম জানাজা সম্পন্ন

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হওয়ার চার মাসেরও বেশি সময় পর অবশেষে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে) তেহরানের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই জানাজা সম্পন্ন হয়।

জানাজা নামাজে ইমামতি করেন প্রখ্যাত শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি তাবরিজি। এর আগে শনিবার (৪ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি তার পিতার জানাজা পড়াবেন না। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই জানাজা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকেই তেহরান মসজিদ ও এর আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়।

যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত হয়েছিলেন দেশটির এই শীর্ষ নেতা। দীর্ঘ চার মাস পর তার মরদেহ দাফনের প্রক্রিয়া শুরু করে ইরান সরকার। এই উপলক্ষে দেশটিতে নয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে এবং শেষ বিদায়ের জন্য বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার থেকে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সর্বসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সাবেক এই আয়াতুল্লাহর মরদেহ রাখা হয়েছিল, যেখানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

তেহরানে খামেনির প্রথম জানাজা সম্পন্ন

প্রকাশিত সময় : ০৬:২৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হওয়ার চার মাসেরও বেশি সময় পর অবশেষে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে) তেহরানের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই জানাজা সম্পন্ন হয়।

জানাজা নামাজে ইমামতি করেন প্রখ্যাত শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি তাবরিজি। এর আগে শনিবার (৪ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি তার পিতার জানাজা পড়াবেন না। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই জানাজা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকেই তেহরান মসজিদ ও এর আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়।

যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত হয়েছিলেন দেশটির এই শীর্ষ নেতা। দীর্ঘ চার মাস পর তার মরদেহ দাফনের প্রক্রিয়া শুরু করে ইরান সরকার। এই উপলক্ষে দেশটিতে নয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে এবং শেষ বিদায়ের জন্য বিশাল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।
এর আগে, শুক্রবার থেকে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সর্বসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সাবেক এই আয়াতুল্লাহর মরদেহ রাখা হয়েছিল, যেখানে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন।