প্রকাশিত সময় :
১২:১৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
৫
দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান প্রসবের প্রবণতা কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসব বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘মানবিক সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে খেলাধুলা, শিক্ষা ও দক্ষতা টিকিয়ে রাখা (স্প্ল্যাশ)’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করা গেলে নবজাতক জন্মের পরপরই মায়ের শালদুধ পাবে। শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য শালদুধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের কারণে অনেক নবজাতক জন্মের পরপরই এই গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। এ লক্ষ্যে মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করতে সরকার কাজ করছে।
মন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার নারী থাকবেন। তাদের একটি বড় অংশ কেয়ারগিভার ও মিডওয়াইফ হিসেবে গর্ভবতী নারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় সেবা ও পরামর্শ দেবেন।
এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যানসার স্ক্রিনিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা বাড়ানো এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ।