ম্যাচ শেষে টিওয়াইসি স্পোর্টসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘নিঃসন্দেহে ওপর থেকে ম্যারাডোনা আজ দারুণ উপভোগ করছেন। আজকের দিনটা তার জন্য খুবই বিশেষ। তাকে এই আনন্দ দিতে পেরে আমরা খুশি। যেভাবেই হোক, ওপর থেকে তিনি এটা উপভোগ করুন। এই জয় তার জন্যও একটি উপহার।’
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড লড়াই মানেই ফুটবলের গণ্ডি ছাড়িয়ে ইতিহাসের আবেগ। ১৯৮৬ সালের ২২ জুন, মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ম্যারাডোনা যা করেছিলেন, তা আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় অধ্যায়।
প্রথমে লাফিয়ে উঠে ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল, এরপর কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে প্রায় মাঝ মাঠ থেকে দৌড়ে গিয়ে একক নৈপুণ্যে সেই শতাব্দী সেরা গোল- যেটিকে অনেকেই এখনও বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা গোল বলে মনে করেন।
বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের সঙ্গে সেই যুদ্ধের সরাসরি সম্পর্ক না থাকলেও ম্যাচটির গুরুত্ব তারা অনুভব করেছেন নিজেদের মতো করেই। গ্যালারিতে উড়েছে ‘ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার’ লেখা ব্যানার, দর্শকদের কণ্ঠেও ছিল ভিন্ন রকম আবেগ।
মেসি বলেন, ‘জাতীয় সংগীতের সময়ই বিশেষ কিছু অনুভব করছিলাম। দর্শকদের গলা ছিল অন্য রকম। আমরা একে অন্যের দিকে তাকিয়ে সেটা বুঝতে পারছিলাম। জানতাম এটা একটা ফুটবল ম্যাচ, কিন্তু আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। আমরা সেই অনুভূতি নিয়েই খেলেছি।’
আর্জেন্টিনার গ্যালারিতে এখন প্রায়ই শোনা যায় একটি গান- ‘ফকল্যান্ডের জন্য, দিয়েগোর জন্য, আর লিওর শেষ লক্ষ্যের জন্য।’ ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেই গানের প্রথম দুটি যেন পূর্ণতা পেল। শেষ অংশের অপেক্ষা এখন রোববারের ফাইনাল।

স্পোর্টস ডেস্ক/ ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 



















