মানুষের জীবন সবসময় একরকম থাকে না। কখনো সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য, কখনো দুঃখ-বেদনা; কখনো সুস্থতা, কখনো অসুস্থতা—জীবনের এই উত্থান-পতনই মানুষের বাস্তবতা।
বিপদ যখন দীর্ঘ হয়, কষ্ট যখন অসহনীয় মনে হয়, তখন অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। অথচ একজন মুমিনের জন্য বিপদ মানে আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরে যাওয়া নয়; বরং কখনো কখনো তা আল্লাহর দিকে আরও গভীরভাবে ফিরে আসার সুযোগ। তাই হজরত আইয়ুব (আ.) দোয়া করেছিলেন,
رَبَُّ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنْتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ
উচ্চারণ : রাব্বি আন্নি মাস্সানিয়াদ্-দুররু ওয়া আনতা আরহামুর-রাহিমিন।
অর্থ : ‘আমি দুঃখ-কষ্টে পড়েছি, আর তুমি তো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু।
’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৮৩)
কত গভীর মর্মবাণী লুকিয়ে আছে এই ছোট্ট দোয়ায়! আইয়ুব (আ.) তাঁর কষ্টের কথা আল্লাহর কাছে বলেছেন, কিন্তু অভিযোগের ভাষায় নয়। তিনি নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করেছেন, আর একই সঙ্গে আল্লাহর অসীম রহমতের ওপর পূর্ণ আস্থা ব্যক্ত করেছেন।
আইয়ুব (আ.)-এর এই দোয়ার পর আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম এবং তাঁর যে দুঃখ-কষ্ট ছিল, তা দূর করে দিলাম।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৮৪)
অর্থাৎ বিপদের শেষ কোথায়—তা মানুষ জানে না; কিন্তু আল্লাহ জানেন।
মানুষের দায়িত্ব হলো ধৈর্য ধারণ করা, বৈধ উপায় অবলম্বন করা এবং আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























