সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে: জাতিসংঘ

ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুতির শিকার হওয়া প্রায় সব মানুষই গত দুই মাসের মধ্যে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। বার্তাসংস্থা আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

সংস্থাটি জানায়, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয় খুঁজে পেতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশের ওপর বিধিনিষেধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।

আইওএম ইয়েমেনের মিশনপ্রধান আবদুসাত্তর এসোয়েভ বলেন, বছরের পর বছর সংঘাতের পরও ইয়েমেনের পরিবারগুলোকে আবারও ঘরবাড়ি ছাড়তে হচ্ছে। অনেকেই শুধু পরনের কাপড়টুকু নিয়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয়, খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবা প্রয়োজন।

তিনি আরও সতর্ক করেন, পর্যাপ্ত অর্থায়ন না পেলে হাজারো পরিবার জরুরি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে ২০২২ সালে হওয়া একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি গত জুলাইয়ে ভেঙে পড়ে। এরপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দেওয়া সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা বেড়েছে। ফলে দেশটির মানবিক পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ইয়েমেনে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে: জাতিসংঘ

প্রকাশিত সময় : ০৪:৪৯:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলে সংঘাত তীব্র হওয়ায় বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুতির শিকার হওয়া প্রায় সব মানুষই গত দুই মাসের মধ্যে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। বার্তাসংস্থা আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

সংস্থাটি জানায়, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয় খুঁজে পেতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশের ওপর বিধিনিষেধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।

আইওএম ইয়েমেনের মিশনপ্রধান আবদুসাত্তর এসোয়েভ বলেন, বছরের পর বছর সংঘাতের পরও ইয়েমেনের পরিবারগুলোকে আবারও ঘরবাড়ি ছাড়তে হচ্ছে। অনেকেই শুধু পরনের কাপড়টুকু নিয়ে পালাতে বাধ্য হচ্ছেন। তাদের জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয়, খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবা প্রয়োজন।

তিনি আরও সতর্ক করেন, পর্যাপ্ত অর্থায়ন না পেলে হাজারো পরিবার জরুরি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে ২০২২ সালে হওয়া একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি গত জুলাইয়ে ভেঙে পড়ে। এরপর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দেওয়া সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এবং হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা বেড়েছে। ফলে দেশটির মানবিক পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে।