বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিধিনিষেধ বাড়ল আরও এক মাস

বিধিনিষেধ বাড়ল আরও এক মাস

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান বিধিনিষেধ আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ চলবে। আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী আজ (বুধবার) মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে লকডাউন। তার আগেই বিধিনিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এল।
এবার নতুন কিছু শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব সরকারি–বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। আর ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে স্থানীয় জেলা প্রশাসক জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মিলে কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে লকডাউনসহ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবে।
দেশে এখন করোনাভাইরাসের ‘ডেলটা ভেরিয়েন্টের’ সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে। সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় তা ছড়িয়ে পড়েছে। এ জন্য সারা দেশে চলমান বিধিনিষেধের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় বিশেষ ‘লকডাউন’ চলছে। করোনার এই ধরনের (ডেল্টা ভেরিয়েন্টের) কারণেই ভারতে দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বহুগুণে বেড়েছে।
দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে সরকার এ বছর প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। পরে তা আরও দুই দিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। পরে তা আরও সাত দফা বাড়ানো হয়েছিল। এবার একসঙ্গে এক মাস বাড়ানো হলো বিধিনিষেধ।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

বিধিনিষেধ বাড়ল আরও এক মাস

প্রকাশিত সময় : ০৭:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১
করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় চলমান বিধিনিষেধ আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ চলবে। আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী আজ (বুধবার) মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে লকডাউন। তার আগেই বিধিনিষেধ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এল।
এবার নতুন কিছু শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব সরকারি–বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। আর ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলোতে স্থানীয় জেলা প্রশাসক জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মিলে কারিগরি কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে লকডাউনসহ কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবে।
দেশে এখন করোনাভাইরাসের ‘ডেলটা ভেরিয়েন্টের’ সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে। সীমান্তবর্তী কয়েকটি জেলায় তা ছড়িয়ে পড়েছে। এ জন্য সারা দেশে চলমান বিধিনিষেধের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় বিশেষ ‘লকডাউন’ চলছে। করোনার এই ধরনের (ডেল্টা ভেরিয়েন্টের) কারণেই ভারতে দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বহুগুণে বেড়েছে।
দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে সরকার এ বছর প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল। পরে তা আরও দুই দিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। পরে তা আরও সাত দফা বাড়ানো হয়েছিল। এবার একসঙ্গে এক মাস বাড়ানো হলো বিধিনিষেধ।