সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক আর নেই। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) রাত ১২টা ১০ মিনিটে রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুপ্রিম কোর্টের এই বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মুহাম্মদ সাইফুর রহমান তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিচারপতি কাজী এবাদুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ২০১৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। তার স্ত্রী অধ্যাপক শরীফা খাতুনও ২০১৭ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। তার মেয়ে বিচারপতি কাজী জিনাত হক হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি।

১৯৩৬ সালে ফেনীতে জন্ম নেওয়া বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ১৯৫২ সালে ফেনীতে ভাষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৪-৫৫ সালে তিনি ফেনী ভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। অধ্যাপক শরিফা খাতুনও ভাষা আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা রাখেন। বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে বাংলা ভাষার পক্ষে প্রচারণা চালান। স্কুলের ছাত্রীদের সংগঠিত করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক আর নেই

প্রকাশিত সময় : ০৫:৫০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২

একুশে পদকপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক আর নেই। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) রাত ১২টা ১০ মিনিটে রাজধানীর শমরিতা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুপ্রিম কোর্টের এই বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মুহাম্মদ সাইফুর রহমান তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিচারপতি কাজী এবাদুল হকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ২০১৬ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন। তার স্ত্রী অধ্যাপক শরীফা খাতুনও ২০১৭ সালে একুশে পদক অর্জন করেন। তার মেয়ে বিচারপতি কাজী জিনাত হক হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি।

১৯৩৬ সালে ফেনীতে জন্ম নেওয়া বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিচারপতি কাজী এবাদুল হক ১৯৫২ সালে ফেনীতে ভাষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৪-৫৫ সালে তিনি ফেনী ভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। অধ্যাপক শরিফা খাতুনও ভাষা আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা রাখেন। বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে বাংলা ভাষার পক্ষে প্রচারণা চালান। স্কুলের ছাত্রীদের সংগঠিত করেন।