রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাগমারায় বোরো মৌসুমে শ্রমিক সংকট, বেড়েছে মজুরী

আবহাওয়া অনুকূল থাকায় বাগমারায়  বোরো চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।  তবে বোরো চাষের সেচ সার বীজসহ আনুসাঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে এই উপজেলায় ১৫ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে।

আরও ৫ হাজার হেক্টর  জমিতে রোরোর আবাদ চলমান রয়েছে। অধিকাংশ কৃষকরা স্থানীয় ভাবে নিজেদের উৎপাদিত বোরোর চারা রোপণ করছেন। তবে বাজারেও স্বল্প দামে মিলছে না ভালো মানের চারা।

মাড়িয়ার কৃষক লুৎফর রহমান জানান, তিনি এবার সাড়ে পাঁচ বিঘা  জমিতে বোরোর আবাদ শুরু করেছেন। তিন বিঘাতে ইতিমধ্যে চারা রোপণ কাজ শেষ করেছেন।

তার মতে, বোরো চাষের খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। সেই সাথে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরী।  দেখা দিয়েছে শ্রমিক সংকট।

তারপরও চাষাবাদ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। তার মতে, বোরো চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সারের এখন পর্যন্ত কোন সংকট দেখা দেয়নি।

তবে আপদকালে যাতে ইউরিয়া সারের কোন সংকট না হয় তার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জেলার বিএডিসি গোডাউনে পর্যাপ্ত সার সংরক্ষনের দাবী জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, কৃষকরা সকাল  থেকেই বোরোর চারা রোপণে ব্যস্ত থাকেন। এবার বোরোর আবাদ এই উপজেলায় লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাগমারায় বোরো মৌসুমে শ্রমিক সংকট, বেড়েছে মজুরী

প্রকাশিত সময় : ০৮:৪৫:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

আবহাওয়া অনুকূল থাকায় বাগমারায়  বোরো চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।  তবে বোরো চাষের সেচ সার বীজসহ আনুসাঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে এই উপজেলায় ১৫ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে।

আরও ৫ হাজার হেক্টর  জমিতে রোরোর আবাদ চলমান রয়েছে। অধিকাংশ কৃষকরা স্থানীয় ভাবে নিজেদের উৎপাদিত বোরোর চারা রোপণ করছেন। তবে বাজারেও স্বল্প দামে মিলছে না ভালো মানের চারা।

মাড়িয়ার কৃষক লুৎফর রহমান জানান, তিনি এবার সাড়ে পাঁচ বিঘা  জমিতে বোরোর আবাদ শুরু করেছেন। তিন বিঘাতে ইতিমধ্যে চারা রোপণ কাজ শেষ করেছেন।

তার মতে, বোরো চাষের খরচ আগের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। সেই সাথে বেড়েছে শ্রমিকের মজুরী।  দেখা দিয়েছে শ্রমিক সংকট।

তারপরও চাষাবাদ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। তার মতে, বোরো চাষের জন্য প্রয়োজনীয় সারের এখন পর্যন্ত কোন সংকট দেখা দেয়নি।

তবে আপদকালে যাতে ইউরিয়া সারের কোন সংকট না হয় তার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জেলার বিএডিসি গোডাউনে পর্যাপ্ত সার সংরক্ষনের দাবী জানান।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুর রাজ্জাক জানান, কৃষকরা সকাল  থেকেই বোরোর চারা রোপণে ব্যস্ত থাকেন। এবার বোরোর আবাদ এই উপজেলায় লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।