শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নগরীতে এবার বাহারি ইফতার সামগ্রী

রাজশাহীতে ইফতার সামগ্রীর দাম অনেকটাই বেশি। গত বছরের চেয়ে এবার ইফতারি কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে প্রায় ডাবল। সোলা, বুট থেকে শুরু করে ইফতারির প্রতিটি সামগ্রীর দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। আবার যেসব সামগ্রীর দাম বাড়েনি, সেসব সামগ্রীর আকার ছোট হয়ে গেছে। তারপরও রমজানের প্রথম দিনই ইফতারীর দোকানগুলো ছিল ক্রেতা সমাগমে পরিপুর্ণ।

রাজশাহী নগরীতে ইফতারির আইটেমও করা হয়েছে অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এতে বলাই যায়, রমজানের প্রথমদিনই জমে উঠেছে রাজশাহীর ইফতার বাজার।মহানগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার গলি পথেও ঐতিহ্যবাহী ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসে গেছেন মৌসুমি দোকানিরা। মহানগরীর সাহেববাজার, আলুপট্টি, কুমারপাড়া, সোনাদীঘির মোড়, সিঅ্যান্ডবি মোড়, লক্ষ্মীপুর, কাদিরগঞ্জ, বিন্দুরমোড়, নিউমার্কেট, গণকাপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে পসরা সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ইফতার। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই দোকানগুলোতে রকমারি ইফতার তৈরি হয়েছে এ বছরও। ঘিয়ে ভাজা বোম্বে জিলাপি, রেশমি জিলাপি, স্পেশাল ফিরনি, ক্ষিরসা, ফালুদা, নবাবী টানা পরোটা, কাশ্মিরী পরোটা, চিকেন মসলা, রেশমি কাবাব, তেহারি, কাচ্চি বিরিয়ানি, চিকেন ফ্রাই, মাঠা-ঘোল ও নানা রকমের জুসসহ জনপ্রিয় ইফতার সামগ্রীগুলো এবারও শুরুতেই মন কারছে রাজশাহীর মানুষের। প্রথমদিন ইফতারে স্বাদের ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য আনতে সাধ ও সাধ্যমত সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করছেন।মহানগরীর গণকপাড়া এলাকার রহমানিয়া রেস্তোরাঁর কর্মী রেজাউল করিম জানান, তারা সব রকমের ইফতারের আইটেমই তুলে এনেছেন। যাতে সবারই দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারা যায়। যেমন তাদের আছে স্পেশাল ফিরনি, শিক কাবাব, মাটন লেগ রোস্ট, স্পেশাল গরুর তেহারি। এছাড়া ছোলা, বুট, বেগুনিসহ অন্যান্য নিয়মিত ইফতার আইটেম তো রয়েছেই। রমজানের প্রথমদিনে গরমের মধ্যেও ভিড় বেড়েছে।এদিকে রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়ন্টসহ বিভিন্ন এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁর সমানে বাহারি ইফতারের পসরা সাজানো হয়েছে। সামনে পণ্যের তালিকা সম্বলিত ব্যানারও টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। রোজাদারদের আকর্ষণ করার জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোর সামনে ডেকোরেশন করা হয়েছে। ইফতার সামগ্রী বিক্রির জন্য এবং ক্রেতাদের আকর্ষণের জন্য কেউ কেউ ঢাকা থেকে বাবুর্চিও নিয়ে এসেছেন। এছাড়া বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ রকমারি ইফতার দিয়ে সাজিয়েছেন ইফতারের প্যাকেজ। রোজাদারদের জন্য দিচ্ছেন বিভিন্ন অফারও।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নগরীতে এবার বাহারি ইফতার সামগ্রী

প্রকাশিত সময় : ০৭:৪৭:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মার্চ ২০২৩

রাজশাহীতে ইফতার সামগ্রীর দাম অনেকটাই বেশি। গত বছরের চেয়ে এবার ইফতারি কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে প্রায় ডাবল। সোলা, বুট থেকে শুরু করে ইফতারির প্রতিটি সামগ্রীর দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। আবার যেসব সামগ্রীর দাম বাড়েনি, সেসব সামগ্রীর আকার ছোট হয়ে গেছে। তারপরও রমজানের প্রথম দিনই ইফতারীর দোকানগুলো ছিল ক্রেতা সমাগমে পরিপুর্ণ।

রাজশাহী নগরীতে ইফতারির আইটেমও করা হয়েছে অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এতে বলাই যায়, রমজানের প্রথমদিনই জমে উঠেছে রাজশাহীর ইফতার বাজার।মহানগরীর প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার গলি পথেও ঐতিহ্যবাহী ইফতার সামগ্রী নিয়ে বসে গেছেন মৌসুমি দোকানিরা। মহানগরীর সাহেববাজার, আলুপট্টি, কুমারপাড়া, সোনাদীঘির মোড়, সিঅ্যান্ডবি মোড়, লক্ষ্মীপুর, কাদিরগঞ্জ, বিন্দুরমোড়, নিউমার্কেট, গণকাপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে পসরা সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ইফতার। ক্রেতাদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই দোকানগুলোতে রকমারি ইফতার তৈরি হয়েছে এ বছরও। ঘিয়ে ভাজা বোম্বে জিলাপি, রেশমি জিলাপি, স্পেশাল ফিরনি, ক্ষিরসা, ফালুদা, নবাবী টানা পরোটা, কাশ্মিরী পরোটা, চিকেন মসলা, রেশমি কাবাব, তেহারি, কাচ্চি বিরিয়ানি, চিকেন ফ্রাই, মাঠা-ঘোল ও নানা রকমের জুসসহ জনপ্রিয় ইফতার সামগ্রীগুলো এবারও শুরুতেই মন কারছে রাজশাহীর মানুষের। প্রথমদিন ইফতারে স্বাদের ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য আনতে সাধ ও সাধ্যমত সবাই প্রাণপণ চেষ্টা করছেন।মহানগরীর গণকপাড়া এলাকার রহমানিয়া রেস্তোরাঁর কর্মী রেজাউল করিম জানান, তারা সব রকমের ইফতারের আইটেমই তুলে এনেছেন। যাতে সবারই দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারা যায়। যেমন তাদের আছে স্পেশাল ফিরনি, শিক কাবাব, মাটন লেগ রোস্ট, স্পেশাল গরুর তেহারি। এছাড়া ছোলা, বুট, বেগুনিসহ অন্যান্য নিয়মিত ইফতার আইটেম তো রয়েছেই। রমজানের প্রথমদিনে গরমের মধ্যেও ভিড় বেড়েছে।এদিকে রাজশাহী মহানগরীর সাহেব বাজার জিরোপয়ন্টসহ বিভিন্ন এলাকার হোটেল-রেস্তোরাঁর সমানে বাহারি ইফতারের পসরা সাজানো হয়েছে। সামনে পণ্যের তালিকা সম্বলিত ব্যানারও টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। রোজাদারদের আকর্ষণ করার জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোর সামনে ডেকোরেশন করা হয়েছে। ইফতার সামগ্রী বিক্রির জন্য এবং ক্রেতাদের আকর্ষণের জন্য কেউ কেউ ঢাকা থেকে বাবুর্চিও নিয়ে এসেছেন। এছাড়া বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ রকমারি ইফতার দিয়ে সাজিয়েছেন ইফতারের প্যাকেজ। রোজাদারদের জন্য দিচ্ছেন বিভিন্ন অফারও।