মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেয়ের বাড়ি যাওয়া হলো না শাম্মীর

ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় মারা গেছেন শাম্মী আক্তার (৪০) নামে এক নারী। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের আরাপপুর জামতলা এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

মারা যাওয়া শাম্মী কুষ্টিয়া জেলার মিনাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের লিডার আব্দুর রাজ্জাক জানান, কুষ্টিয়া থেকে মোটরসাইকেলে স্ত্রী শাম্মীকে নিয়ে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন মিজানুর রহমান। ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর জামতলা এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান শাম্মী। এ সময় পেছন থেকে আসা বালু বোঝাই একটি ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামসুল আরেফিন বলেন, ‍“মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পারিবারিকভাবে মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানতে পেরেছি।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মেয়ের বাড়ি যাওয়া হলো না শাম্মীর

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩৪:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় মারা গেছেন শাম্মী আক্তার (৪০) নামে এক নারী। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে শহরের আরাপপুর জামতলা এলাকায় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

মারা যাওয়া শাম্মী কুষ্টিয়া জেলার মিনাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের লিডার আব্দুর রাজ্জাক জানান, কুষ্টিয়া থেকে মোটরসাইকেলে স্ত্রী শাম্মীকে নিয়ে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন মিজানুর রহমান। ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর জামতলা এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে যান শাম্মী। এ সময় পেছন থেকে আসা বালু বোঝাই একটি ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামসুল আরেফিন বলেন, ‍“মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পারিবারিকভাবে মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানতে পেরেছি।”