শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশের অবদান সর্বনিম্ন: স্পিকার

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশের অবদান সর্বনিম্ন হলেও পরিবেশগত ঝুঁকির দিক থেকে সবচেয়ে উপরে অবস্থান করছে। তাই পরিবেশগত ঝুঁকিরোধে উদ্ভাবনী টেকসই সমাধান খুঁজতে হবে। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়াতে বিশ্বের চারভাগের একভাগ লোক বাস করে। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশগত ঝুঁকিও বাড়ছে। শুক্রবার রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে ক্লাইমেট পার্লামেন্ট, দ্য আর্থ, অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন এবং ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘রিজিওনাল ক্লাইমেট সামিট-২০২৩’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্পিকার। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে নবায়নযোগ্য ও গ্রিন এনার্জির ব্যবহার বাড়াতে হবে। পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই কার্যকর সহযোগিতার পরিসর বৃদ্ধি করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা কাঠামো তৈরি করা যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, পরিবেশ ইস্যুতে আঞ্চলিক ঐক্য বৃদ্ধিতে দেশ ও সীমানার ঊর্ধ্বে উঠে কার্যকর আলোচনা করতে হবে। স্পিকার বলেন, রিজিওনাল ক্লাইমেট সামিট-২০২৩ আয়োজন একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এই সামিট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশগত সংকট নিয়ে আলোচনা করার পথ প্রশস্ত করেছে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় রিজিওনাল ক্লাইমেট সামিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ‘টুওয়ার্ডস এ রিসিলেন্ট সাউথ এশিয়া: রিজিওনাল ক্লাইমেট সামিট-২০২৩’ অনুষ্ঠানে ভারত, শ্রীলংকা ও নেপালের ক্লাইমেট পার্লামেন্টের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের ক্লাইমেট পার্টনার্স, এনজিওর প্রতিনিধিবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দসহ সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ডেইলি-বাংলাদেশ

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশের অবদান সর্বনিম্ন: স্পিকার

প্রকাশিত সময় : ০৯:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশের অবদান সর্বনিম্ন হলেও পরিবেশগত ঝুঁকির দিক থেকে সবচেয়ে উপরে অবস্থান করছে। তাই পরিবেশগত ঝুঁকিরোধে উদ্ভাবনী টেকসই সমাধান খুঁজতে হবে। তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়াতে বিশ্বের চারভাগের একভাগ লোক বাস করে। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশগত ঝুঁকিও বাড়ছে। শুক্রবার রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে ক্লাইমেট পার্লামেন্ট, দ্য আর্থ, অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন এবং ক্লাইমেট পার্লামেন্ট বাংলাদেশ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘রিজিওনাল ক্লাইমেট সামিট-২০২৩’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্পিকার। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ প্রদান করা হয়েছে। তিনি বলেন, পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে নবায়নযোগ্য ও গ্রিন এনার্জির ব্যবহার বাড়াতে হবে। পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই কার্যকর সহযোগিতার পরিসর বৃদ্ধি করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা কাঠামো তৈরি করা যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, পরিবেশ ইস্যুতে আঞ্চলিক ঐক্য বৃদ্ধিতে দেশ ও সীমানার ঊর্ধ্বে উঠে কার্যকর আলোচনা করতে হবে। স্পিকার বলেন, রিজিওনাল ক্লাইমেট সামিট-২০২৩ আয়োজন একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এই সামিট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশগত সংকট নিয়ে আলোচনা করার পথ প্রশস্ত করেছে। তিনি বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলায় রিজিওনাল ক্লাইমেট সামিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ‘টুওয়ার্ডস এ রিসিলেন্ট সাউথ এশিয়া: রিজিওনাল ক্লাইমেট সামিট-২০২৩’ অনুষ্ঠানে ভারত, শ্রীলংকা ও নেপালের ক্লাইমেট পার্লামেন্টের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের ক্লাইমেট পার্টনার্স, এনজিওর প্রতিনিধিবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দসহ সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ডেইলি-বাংলাদেশ