সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হারামাইনে জুমা পড়াবেন যারা

সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত মসজিদুল হারামে আজ শুক্রবার জুমার নামাজে ইমামতি করবেন শায়েখ মাহের আল মুয়াইকিলি।

একই দিনে মদিনায় অবস্থিত মসজিদে নববীতে জুমার নামাজ পড়াবেন ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী বিষয়ক ওয়েব পোর্টাল হারামাইন শরিফাইন এ তথ্য জানিয়েছে।

মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে বেশ কয়েকজন ইমাম ও খতিব রয়েছেন, তারা হারামাইন শরিফাইনের পরিচালনা পর্ষদের শিডিউল অনুযায়ী জুমা ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ইমামতি করেন।

প্রসঙ্গত, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী মুসলিম বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত ও পবিত্র স্থান। এই দুই মসজিদে নামাজ পড়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হজরত আবূ দারদা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মসজিদে হারামে এক নামাজ এক লাখ নামাজের সমান, আমার মসজিদে (মসজিদে নববী) এক নামাজ এক হাজার নামাজের সমান এবং বাইতুল মাকদাসে এক নামাজ ৫০০ নামাজের সমান।’-(মাজমাউয যাওয়াইদ, ৪/১১)

আরেক হাদিসে ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমার এ মসজিদে এক ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা মসজিদে হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামাজ আদায় করার চেয়েও উত্তম।’-(বুখারী, ১১৯০; মুসলিম, ১৩৯৪)

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ বারের মতো হাল্ট প্রাইজ’র গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত

হারামাইনে জুমা পড়াবেন যারা

প্রকাশিত সময় : ০৬:৩০:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৩

সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থিত মসজিদুল হারামে আজ শুক্রবার জুমার নামাজে ইমামতি করবেন শায়েখ মাহের আল মুয়াইকিলি।

একই দিনে মদিনায় অবস্থিত মসজিদে নববীতে জুমার নামাজ পড়াবেন ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী বিষয়ক ওয়েব পোর্টাল হারামাইন শরিফাইন এ তথ্য জানিয়েছে।

মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীতে বেশ কয়েকজন ইমাম ও খতিব রয়েছেন, তারা হারামাইন শরিফাইনের পরিচালনা পর্ষদের শিডিউল অনুযায়ী জুমা ও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ইমামতি করেন।

প্রসঙ্গত, মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী মুসলিম বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত ও পবিত্র স্থান। এই দুই মসজিদে নামাজ পড়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। হজরত আবূ দারদা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মসজিদে হারামে এক নামাজ এক লাখ নামাজের সমান, আমার মসজিদে (মসজিদে নববী) এক নামাজ এক হাজার নামাজের সমান এবং বাইতুল মাকদাসে এক নামাজ ৫০০ নামাজের সমান।’-(মাজমাউয যাওয়াইদ, ৪/১১)

আরেক হাদিসে ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমার এ মসজিদে এক ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা মসজিদে হারাম ছাড়া অন্যান্য মসজিদে এক হাজার নামাজ আদায় করার চেয়েও উত্তম।’-(বুখারী, ১১৯০; মুসলিম, ১৩৯৪)