বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোটা দাগে আচরণবিধি লঙ্ঘন ঘটছে না

মোটা দাগে আচরণবিধি লঙ্ঘন ঘটছে না বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মানবাধিকার কমিশনের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

শাসক দলের প্রার্থীর আচরণ বিধি ভঙ্গ করছেন, আপনারা মানাতে পারছেন না কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে সভা করেছি। তাদের কাছ থেকে খুব বেশি অভিযোগ পাইনি। প্রশাসনের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহিংসতা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, পোস্টার ছেঁড়া এগুলো হয়েছে। কিন্তু মোটাদাগে খুব বেশি ঘটনা ঘটেছে বলে মনে হয় না। তবে সহিংসতা একেবারেই হয়নি, সেটা বলছিনা। আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি… তারা যেন এটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং ভোটের দিন যেন একটি সহজ-স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকে।

ভোটের দিন পোলিং এজেন্টকে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে অবাঞ্ছিত লোক যাতে প্রবেশ করতে না পারে এবং বাহির থেকে, ভেতর থেকে গণমাধ্যম যদি অনিয়ম প্রচার করতে পারে, আমরা এটাকে স্বাগত জানাবো। তাহলে নির্বাচনের ক্রেডিবিলিটি বেড়ে যাবে এবং রং পারসেপশন হওয়ার সুযোগ কম হবে। আমরা আশাবাদী।

সরকারি দলের দায়িত্বশীল প্রার্থীরা আচরণবিধি ভাঙছেন তাদের প্রতি ইসির কোন বার্তা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, এই ব্যাপারে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার  চেয়ারম্যান ও তার সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্বাচনে মানবাধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা উনি বলেছেন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু না হলে ভোটাধিকার প্রয়োগ হবে না। ভোটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হলে মৌলিক মানবাধিকার অবশ্যই বিঘ্নিত হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের যৌথভাবে কাজ উচিত বলে তারা মনে করেন, আমরাও সহমত পোষণ করছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

মোটা দাগে আচরণবিধি লঙ্ঘন ঘটছে না

প্রকাশিত সময় : ০৩:৩১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

মোটা দাগে আচরণবিধি লঙ্ঘন ঘটছে না বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে মানবাধিকার কমিশনের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

শাসক দলের প্রার্থীর আচরণ বিধি ভঙ্গ করছেন, আপনারা মানাতে পারছেন না কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, আমরা মাঠ পর্যায়ে সভা করেছি। তাদের কাছ থেকে খুব বেশি অভিযোগ পাইনি। প্রশাসনের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহিংসতা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, পোস্টার ছেঁড়া এগুলো হয়েছে। কিন্তু মোটাদাগে খুব বেশি ঘটনা ঘটেছে বলে মনে হয় না। তবে সহিংসতা একেবারেই হয়নি, সেটা বলছিনা। আমরা প্রশাসনকে অনুরোধ করেছি… তারা যেন এটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন এবং ভোটের দিন যেন একটি সহজ-স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকে।

ভোটের দিন পোলিং এজেন্টকে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেখানে অবাঞ্ছিত লোক যাতে প্রবেশ করতে না পারে এবং বাহির থেকে, ভেতর থেকে গণমাধ্যম যদি অনিয়ম প্রচার করতে পারে, আমরা এটাকে স্বাগত জানাবো। তাহলে নির্বাচনের ক্রেডিবিলিটি বেড়ে যাবে এবং রং পারসেপশন হওয়ার সুযোগ কম হবে। আমরা আশাবাদী।

সরকারি দলের দায়িত্বশীল প্রার্থীরা আচরণবিধি ভাঙছেন তাদের প্রতি ইসির কোন বার্তা আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, এই ব্যাপারে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, জাতীয় মানবাধিকার  চেয়ারম্যান ও তার সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তিনি নির্বাচনে মানবাধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা উনি বলেছেন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু না হলে ভোটাধিকার প্রয়োগ হবে না। ভোটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হলে মৌলিক মানবাধিকার অবশ্যই বিঘ্নিত হবে। সেই লক্ষ্যে আমাদের যৌথভাবে কাজ উচিত বলে তারা মনে করেন, আমরাও সহমত পোষণ করছি।