বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বইমেলার দ্বার খুলবে আগামীকাল

বাকি শুধু আজকের দিন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা। প্রস্তুত হয়ে উঠেছে মেলার দুই ক্যানভাস। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি আঙিনায় দেখা যায় অধিকাংশ স্টল কিংবা প্যাভিলিয়নে চলছিল রঙ করা, নান্দনিক নকশা গড়ার কাজ। স্টলের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রকাশক ও নির্মাণকর্মীরা। মেলার খুঁটিনাটি জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেছে আয়োজক বাংলা একাডেমি। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য- ‘পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’। বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় মেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাডেমি প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ, স্বাগত বক্তা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি প্রকাশিত শেখ মুজিবুর রহমানের সংগৃহীত রচনা : খ–২ ছাড়াও কয়েকটি নতুন বই উন্মোচন করবেন এবং বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করবেন। সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন একাডেমির মানবসম্পদ উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ডা. কেএম মুজাহিদুল ইসলাম। সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার মেলা অনুষ্ঠিত হবে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে। একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২০ প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৫১৫ প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলায় ৩৭ (একাডেমি প্রাঙ্গণে ১টি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬টি) প্যাভিলিয়ন থাকবে। এবার মেলার বিন্যাস গতবারের তুলনায় অক্ষুণ্ন রাখা হলেও আঙ্গিকে পরিবর্তন এসেছে। মেট্রোরেল স্টেশনের অবস্থানগত কারণে গতবারের মেলার বাহির-পথ এবার একটু সরিয়ে মন্দির-গেটের কাছাকাছি স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া টিএসসি, দোয়েল চত্বর, এমআরটি বেসিং প্ল্যান্ট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন অংশে মোট আটটি প্রবেশ ও বাহির-পথ থাকবে। খাবারের স্টলগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের সীমানাঘেঁষে বিন্যস্ত করা হয়েছে। এবার এলোমেলো খাবারের স্টল পাঠকের মনোযোগ বিঘ্নিত করতে পারবে না। নামাজের স্থান, ওয়াশরুমসহ অন্যান্য পরিসেবা অব্যাহত থাকবে। গত বছরের ন্যায় মন্দির-গেটে প্রবেশের ঠিক ডান দিকে বড় পরিসরে রাখা হয়েছে শিশুচত্বর। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থানান্তরিত হয়েছে। ১৭০ লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বইমেলায় ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি হবে। প্রতিদিন বিকাল ৪টায় বইমেলার মূল মঞ্চে সেমিনার ও সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলা একাডেমির ৩টি প্যাভিলিয়ন এবং শিশুকিশোর উপযোগী প্রকাশনার বিপণনের জন্য ১টি স্টল থাকবে। প্রতি শুক্র ও শনিবার মেলায় বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। অমর একুশে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। মেলায় গুণগতভাবে সেরা বইয়ের জন্য প্রকাশককে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ এবং শৈল্পিক বিচারে সেরা বই প্রকাশের জন্য ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ দেওয়া হবে। এ ছাড়া শিশুতোষ গ্রন্থে গুণগতমান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থের জন্য ১টি প্রতিষ্ঠানকে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ এবং স্টলের নান্দনিক সাজসজ্জায় শ্রেষ্ঠ বিবেচিত প্রতিষ্ঠানকে ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। এবারের বইমেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে নতুন ও পুনর্মুদ্রিত ১০০টি বই। জানা যায়, বইমেলার প্রবেশ ও বাহির-পথে পর্যাপ্তসংখ্যক আর্চওয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। নিñিদ্র নিরাপত্তার জন্য মেলায় এলাকাজুড়ে তিন শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বইমেলা পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় (সমগ্র মেলা প্রাঙ্গণ ও দোয়েল চত্বর থেকে টিএসসি হয়ে শাহবাগ, মৎস্য ভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত এবং দোয়েল চত্বর থেকে শহীদ মিনার হয়ে টিএসসি, দোয়েল চত্বর থেকে চানখাঁরপুল, টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত) নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকবে। মেলার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত ধুলা নিবারণের জন্য পানি ছিটানো এবং প্রতিদিন মশক নিধনের সার্বিক ব্যবস্থা থাকবে। বইমেলার সময়সূচি: এবারের বইমেলা অধিবর্ষের বইমেলা। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিন বইমেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মেলা শুরু হবে সকাল ৮টা এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

বইমেলার দ্বার খুলবে আগামীকাল

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

বাকি শুধু আজকের দিন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা। প্রস্তুত হয়ে উঠেছে মেলার দুই ক্যানভাস। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি আঙিনায় দেখা যায় অধিকাংশ স্টল কিংবা প্যাভিলিয়নে চলছিল রঙ করা, নান্দনিক নকশা গড়ার কাজ। স্টলের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রকাশক ও নির্মাণকর্মীরা। মেলার খুঁটিনাটি জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেছে আয়োজক বাংলা একাডেমি। আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য- ‘পড়ো বই গড়ো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’। বাংলা একাডেমি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় মেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাডেমি প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ, স্বাগত বক্তা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাংলা একাডেমি প্রকাশিত শেখ মুজিবুর রহমানের সংগৃহীত রচনা : খ–২ ছাড়াও কয়েকটি নতুন বই উন্মোচন করবেন এবং বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করবেন। সংবাদ সম্মেলনে মেলার বিস্তারিত তুলে ধরেন একাডেমির মানবসম্পদ উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক ডা. কেএম মুজাহিদুল ইসলাম। সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন একাডেমির মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবার মেলা অনুষ্ঠিত হবে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে। একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২০ প্রতিষ্ঠানকে ১৭৩টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৫১৫ প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলায় ৩৭ (একাডেমি প্রাঙ্গণে ১টি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬টি) প্যাভিলিয়ন থাকবে। এবার মেলার বিন্যাস গতবারের তুলনায় অক্ষুণ্ন রাখা হলেও আঙ্গিকে পরিবর্তন এসেছে। মেট্রোরেল স্টেশনের অবস্থানগত কারণে গতবারের মেলার বাহির-পথ এবার একটু সরিয়ে মন্দির-গেটের কাছাকাছি স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া টিএসসি, দোয়েল চত্বর, এমআরটি বেসিং প্ল্যান্ট এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন অংশে মোট আটটি প্রবেশ ও বাহির-পথ থাকবে। খাবারের স্টলগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনের সীমানাঘেঁষে বিন্যস্ত করা হয়েছে। এবার এলোমেলো খাবারের স্টল পাঠকের মনোযোগ বিঘ্নিত করতে পারবে না। নামাজের স্থান, ওয়াশরুমসহ অন্যান্য পরিসেবা অব্যাহত থাকবে। গত বছরের ন্যায় মন্দির-গেটে প্রবেশের ঠিক ডান দিকে বড় পরিসরে রাখা হয়েছে শিশুচত্বর। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বর স্থানান্তরিত হয়েছে। ১৭০ লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বইমেলায় ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি হবে। প্রতিদিন বিকাল ৪টায় বইমেলার মূল মঞ্চে সেমিনার ও সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলা একাডেমির ৩টি প্যাভিলিয়ন এবং শিশুকিশোর উপযোগী প্রকাশনার বিপণনের জন্য ১টি স্টল থাকবে। প্রতি শুক্র ও শনিবার মেলায় বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। অমর একুশে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। মেলায় গুণগতভাবে সেরা বইয়ের জন্য প্রকাশককে ‘চিত্তরঞ্জন সাহা স্মৃতি পুরস্কার’ এবং শৈল্পিক বিচারে সেরা বই প্রকাশের জন্য ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ দেওয়া হবে। এ ছাড়া শিশুতোষ গ্রন্থে গুণগতমান বিচারে সর্বাধিক গ্রন্থের জন্য ১টি প্রতিষ্ঠানকে ‘রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই স্মৃতি পুরস্কার’ এবং স্টলের নান্দনিক সাজসজ্জায় শ্রেষ্ঠ বিবেচিত প্রতিষ্ঠানকে ‘কাইয়ুম চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। এবারের বইমেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে নতুন ও পুনর্মুদ্রিত ১০০টি বই। জানা যায়, বইমেলার প্রবেশ ও বাহির-পথে পর্যাপ্তসংখ্যক আর্চওয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। নিñিদ্র নিরাপত্তার জন্য মেলায় এলাকাজুড়ে তিন শতাধিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বইমেলা পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত থাকবে। মেলা প্রাঙ্গণ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় (সমগ্র মেলা প্রাঙ্গণ ও দোয়েল চত্বর থেকে টিএসসি হয়ে শাহবাগ, মৎস্য ভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত এবং দোয়েল চত্বর থেকে শহীদ মিনার হয়ে টিএসসি, দোয়েল চত্বর থেকে চানখাঁরপুল, টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত) নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকবে। মেলার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত ধুলা নিবারণের জন্য পানি ছিটানো এবং প্রতিদিন মশক নিধনের সার্বিক ব্যবস্থা থাকবে। বইমেলার সময়সূচি: এবারের বইমেলা অধিবর্ষের বইমেলা। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিন বইমেলা চলবে বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মেলা শুরু হবে সকাল ৮টা এবং চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।