রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রমজানের ফরজ-ওয়াজিব-সুন্নত

রমজান হিজরি চান্দ্রবর্ষের নবম মাস। রমজান সিয়াম সাধনার মাস। রমজান তাকওয়ার মাস। রমজান কোরআন নাজিলের মাস। রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। রমজানের প্রধান ইবাদত ‘সিয়াম’ বা রোজা পালন। সিয়াম বহুবচন। এর একবচন হলো ‘সাওম’, যার অর্থ বিরত থাকা। ফারসি, উর্দু, হিন্দি ও বাংলায় সাওম বা সিয়ামকে ‘রোজা’ বলা হয়।

রমজানের ফরজ

রমজান মাসে বিশেষ ফরজ হলো এক মাস রোজা পালন করা। রমজানের সঙ্গে যুক্ত ফরজে কিফায়া দুটি— শাবানের চাঁদের হিসাব রাখা ও রমজানের তারিখের হিসাব রাখা।

রমজানের ওয়াজিব

রমজান মাসের সঙ্গে সম্পর্কিত ওয়াজিব দুটি— সদকাতুল ফিতর প্রদান করা ও ঈদের জামাতে শামিল হওয়া।

রমজানের সুন্নত

রজব ও শাবান মাসে বরকতের জন্য এবং রমজান মাস প্রাপ্তির দোয়া করা; রজব ও শাবান মাস থেকে রমজানের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা ও বেশি পরিমাণে নফল রোজা পালন করা ও নফল নামাজ আদায় করা। রমজান মাসে প্রতি রাতে ২০ রাকাত তারাবির নামাজ পড়া এবং তারাবি নামাজে খতমে কোরআন বা পূর্ণ কোরআন করিম পড়ার বা শোনার ব্যবস্থা করা। রোজার জন্য সাহ্‌রি খাওয়া, তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা, ইফতার করা এবং ইফতার করানো। অত্যধিক পরিমাণে দান-খয়রাত করা; জাকাত প্রদান করা। কোরআন মজিদ তিলাওয়াত করা। রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করা (সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ কিফায়া); রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর সন্ধান করা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

রমজানের ফরজ-ওয়াজিব-সুন্নত

প্রকাশিত সময় : ১১:৩৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ ২০২৪

রমজান হিজরি চান্দ্রবর্ষের নবম মাস। রমজান সিয়াম সাধনার মাস। রমজান তাকওয়ার মাস। রমজান কোরআন নাজিলের মাস। রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। রমজানের প্রধান ইবাদত ‘সিয়াম’ বা রোজা পালন। সিয়াম বহুবচন। এর একবচন হলো ‘সাওম’, যার অর্থ বিরত থাকা। ফারসি, উর্দু, হিন্দি ও বাংলায় সাওম বা সিয়ামকে ‘রোজা’ বলা হয়।

রমজানের ফরজ

রমজান মাসে বিশেষ ফরজ হলো এক মাস রোজা পালন করা। রমজানের সঙ্গে যুক্ত ফরজে কিফায়া দুটি— শাবানের চাঁদের হিসাব রাখা ও রমজানের তারিখের হিসাব রাখা।

রমজানের ওয়াজিব

রমজান মাসের সঙ্গে সম্পর্কিত ওয়াজিব দুটি— সদকাতুল ফিতর প্রদান করা ও ঈদের জামাতে শামিল হওয়া।

রমজানের সুন্নত

রজব ও শাবান মাসে বরকতের জন্য এবং রমজান মাস প্রাপ্তির দোয়া করা; রজব ও শাবান মাস থেকে রমজানের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা ও বেশি পরিমাণে নফল রোজা পালন করা ও নফল নামাজ আদায় করা। রমজান মাসে প্রতি রাতে ২০ রাকাত তারাবির নামাজ পড়া এবং তারাবি নামাজে খতমে কোরআন বা পূর্ণ কোরআন করিম পড়ার বা শোনার ব্যবস্থা করা। রোজার জন্য সাহ্‌রি খাওয়া, তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করা, ইফতার করা এবং ইফতার করানো। অত্যধিক পরিমাণে দান-খয়রাত করা; জাকাত প্রদান করা। কোরআন মজিদ তিলাওয়াত করা। রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ করা (সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ কিফায়া); রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোতে শবে কদর সন্ধান করা।