রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাকে চিঠি লিখলেন পরী মনি

খুব ছোটবেলায় মাকে হারিয়েছেন, পরে আরেকটু বড় হয়েই বাবাকেও হারান। এরপর থেকে পিরোজপুরে দাদু শামসুল হক গাজীর কাছেই মানুষ হন পরী মনি। অভিনেত্রীকে যখন জেলে, যখন তাকে বিচারের জন্য আদালতে তোলা হয়েছিল, ঠিক তখন আদরের নাতনিকে একবার দেখাল আশায় আদালতের সামনে হাজির হয়েছিলেন পরী মনির ১০০ বছর পার করা বৃদ্ধ দাদু। যদিও নাতনির সঙ্গে দেখা হওয়ার ইচ্ছা পূরণ হয়নি বৃদ্ধ শামসুল হক গাজীর।

তবুও জীবনের কঠিন এই সময়ে দাদুই বাবা-মা হারা পরী মনির সব শক্তির উৎস। আর সে কথাই সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।

জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর ৫ সেপ্টেম্বর, রবিবার হাতে লেখা একটি চিঠি নিজের ফেসবুকের পাতায় শেয়ার করেন পরী মনি। ক্যাপশানে লেখা ‘একটা চিঠি। আমার সব শক্তির গল্প এখানেই।’ আর ছোট্ট ওই চিঠিতে লেখা, নানু আমি ভালো আছি। কোনো চিন্তা করবা না। তোমার সঙ্গে শিগগিরিই দেখা দিব।’ ‘নানু’ শব্দটি দেখে প্রশ্ন জানতে পারে চিঠিটি কে কাকে লিখেছেন? তবে চিঠির নিচে রয়েছে পরী মনির দাদু শামসুল হক গাজীর সই। তা থেকেই বোঝা যায়, এটি অভিনেত্রীর দাদু নাতনি পরী মনিকে লিখেছেন। আদর করে ‘নানু’ বলেছেন তিনি।

তবে এই ছোট্ট চিঠিটি কীভাবে তাঁর শক্তির উৎস সে প্রশ্নে পরী মনি নিজেই বাংলাদেশের এক সংবাদ-মাধ্যমকে জানিয়েছেন, আমি গ্রেপ্তার হওয়ার পর নানু ভাই আমাকে চিঠিটি দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই আমি এটি অক্ষত রাখার চেষ্টা করেছি। আটক, রিমান্ড, জেলসহ নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত আমি এটি অক্ষত রাখতে পেরেছি। এই চিঠিটি আমার জীবনের একটি শক্তি।

এর আগে, নাতনির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ-মাধ্যমকে শামসুল হক গাজী বলেছিলেন, ও নিজের সারাটা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে এসেছে। কিন্তু এখন ও পরিস্থিতির শিকার। নিজের একটা ফ্ল্যাট করে নাই… কিছু করে নাই। এফডিসিতে প্রত্যেক বছর ঈদে গরিব-দুঃখীদের জন্য কোরবানি করে । নিজের জন্য সে নিজে কিছুই করে নি। সে সব মানুষের জন্য বিলিয়ে দেয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

রাজশাহী চেম্বার নির্বাচন: বিএনপিপন্থী ১১, জামায়াতপন্থী ১০ পদে জয়ী

কাকে চিঠি লিখলেন পরী মনি

প্রকাশিত সময় : ০৩:০৫:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২১

খুব ছোটবেলায় মাকে হারিয়েছেন, পরে আরেকটু বড় হয়েই বাবাকেও হারান। এরপর থেকে পিরোজপুরে দাদু শামসুল হক গাজীর কাছেই মানুষ হন পরী মনি। অভিনেত্রীকে যখন জেলে, যখন তাকে বিচারের জন্য আদালতে তোলা হয়েছিল, ঠিক তখন আদরের নাতনিকে একবার দেখাল আশায় আদালতের সামনে হাজির হয়েছিলেন পরী মনির ১০০ বছর পার করা বৃদ্ধ দাদু। যদিও নাতনির সঙ্গে দেখা হওয়ার ইচ্ছা পূরণ হয়নি বৃদ্ধ শামসুল হক গাজীর।

তবুও জীবনের কঠিন এই সময়ে দাদুই বাবা-মা হারা পরী মনির সব শক্তির উৎস। আর সে কথাই সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী।

জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর ৫ সেপ্টেম্বর, রবিবার হাতে লেখা একটি চিঠি নিজের ফেসবুকের পাতায় শেয়ার করেন পরী মনি। ক্যাপশানে লেখা ‘একটা চিঠি। আমার সব শক্তির গল্প এখানেই।’ আর ছোট্ট ওই চিঠিতে লেখা, নানু আমি ভালো আছি। কোনো চিন্তা করবা না। তোমার সঙ্গে শিগগিরিই দেখা দিব।’ ‘নানু’ শব্দটি দেখে প্রশ্ন জানতে পারে চিঠিটি কে কাকে লিখেছেন? তবে চিঠির নিচে রয়েছে পরী মনির দাদু শামসুল হক গাজীর সই। তা থেকেই বোঝা যায়, এটি অভিনেত্রীর দাদু নাতনি পরী মনিকে লিখেছেন। আদর করে ‘নানু’ বলেছেন তিনি।

তবে এই ছোট্ট চিঠিটি কীভাবে তাঁর শক্তির উৎস সে প্রশ্নে পরী মনি নিজেই বাংলাদেশের এক সংবাদ-মাধ্যমকে জানিয়েছেন, আমি গ্রেপ্তার হওয়ার পর নানু ভাই আমাকে চিঠিটি দিয়েছিলেন। এরপর থেকেই আমি এটি অক্ষত রাখার চেষ্টা করেছি। আটক, রিমান্ড, জেলসহ নানান প্রতিকূলতার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত আমি এটি অক্ষত রাখতে পেরেছি। এই চিঠিটি আমার জীবনের একটি শক্তি।

এর আগে, নাতনির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ-মাধ্যমকে শামসুল হক গাজী বলেছিলেন, ও নিজের সারাটা জীবন মানুষের জন্য কাজ করে এসেছে। কিন্তু এখন ও পরিস্থিতির শিকার। নিজের একটা ফ্ল্যাট করে নাই… কিছু করে নাই। এফডিসিতে প্রত্যেক বছর ঈদে গরিব-দুঃখীদের জন্য কোরবানি করে । নিজের জন্য সে নিজে কিছুই করে নি। সে সব মানুষের জন্য বিলিয়ে দেয়।