বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার

দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর করতে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে নতুন এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (এটিএমসি)। এ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বেবিচকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ জানিয়েছেন, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিমানবন্দর প্রাঙ্গণে অবস্থিত নতুন এই কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।

বেবিচক জানিয়েছে, নতুন এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার চালু হলে দেশের আকাশপথে ফ্লাইট পরিচালনা আরও সমন্বিত, নিরাপদ ও সময়োপযোগী হবে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য আরও শক্তিশালী হবে।

এই উদ্যোগকে দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

শাহজালাল বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর করতে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হচ্ছে নতুন এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (এটিএমসি)। এ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বেবিচকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ জানিয়েছেন, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বিমানবন্দর প্রাঙ্গণে অবস্থিত নতুন এই কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতসহ বেবিচকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।

বেবিচক জানিয়েছে, নতুন এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার চালু হলে দেশের আকাশপথে ফ্লাইট পরিচালনা আরও সমন্বিত, নিরাপদ ও সময়োপযোগী হবে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য আরও শক্তিশালী হবে।

এই উদ্যোগকে দেশের বিমান চলাচল ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।