শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেট্রোরেলে টিকিট বিক্রি করে আয় ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা

জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার পর থেকে রাজধানীতে মেট্রোরেলের টিকিট বিক্রি করে পর্যন্ত ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা আয় করেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাচ ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক। আজ মঙ্গলবার সকালে পাতাল রেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এমএএন সিদ্দিক জানান, দেশের প্রথম মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬-এর উদ্বোধন হয়েছে গত ২৮ ডিসেম্বর। এর একদিন পর থেকে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। উত্তরা থেকে আগারগাঁও মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত মেট্রোরেলে মোট ৩ লাখ ৩৫ যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে। এতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। পাতাল রেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার মেট্রোরেলের (এমআরটি লাইন-১) নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় পূর্বাচল সেক্টর ৪-এ ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন ১-এর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি জনসম্মুখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। এরপর সুধি সবাবেশে ভাষণ দেবেন। সেখানে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে। মেট্রোরেলের লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণ হবে নারায়ণগঞ্জের জেলার পিতলগঞ্জ। এই কাজের জন্য জাপানের টোকিও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড ও দেশীয় ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। পুরো প্রকল্পটির কাজ ১২টি প্যাকেজের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে। এর মধ্যে প্যাকেজে সিপি-১ এর আওতায় ডিপো এলাকায় ভুমি উন্নয়ন করার কাজটি শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর। যেখানে ডিপো নির্মাণ করা হবে সেখানে অনেক উঁচু নিচু জায়গা আছে। সেগুলো ভরাট করার কাজ শুরু হবে। তারপর সেখানেই ডিপো নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের নথি বলছে, পাতাল ও উড়াল মিলে মেট্রোরেল লাইন-১ এর মোট দৈর্ঘ্য ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটার। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পাতাল অংশের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। অন্যদিকে নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত নির্মাণ হবে উড়ালপথ, যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার। পাতাল পথে স্টেশন হবে ১২টি এবং উড়ালপথে থাকবে ৭টি। উভয় পথে মোট ১৯টি স্টেশন হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

মেট্রোরেলে টিকিট বিক্রি করে আয় ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা

প্রকাশিত সময় : ০৪:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩

জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার পর থেকে রাজধানীতে মেট্রোরেলের টিকিট বিক্রি করে পর্যন্ত ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা আয় করেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাচ ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক। আজ মঙ্গলবার সকালে পাতাল রেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। এমএএন সিদ্দিক জানান, দেশের প্রথম মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬-এর উদ্বোধন হয়েছে গত ২৮ ডিসেম্বর। এর একদিন পর থেকে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। উত্তরা থেকে আগারগাঁও মেট্রোরেল চালু হওয়ার পর থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত মেট্রোরেলে মোট ৩ লাখ ৩৫ যাত্রী পরিবহন করা হয়েছে। এতে আয় হয়েছে ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। পাতাল রেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার মেট্রোরেলের (এমআরটি লাইন-১) নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় পূর্বাচল সেক্টর ৪-এ ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন ১-এর নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি জনসম্মুখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। এরপর সুধি সবাবেশে ভাষণ দেবেন। সেখানে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে। মেট্রোরেলের লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণ হবে নারায়ণগঞ্জের জেলার পিতলগঞ্জ। এই কাজের জন্য জাপানের টোকিও কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড ও দেশীয় ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। পুরো প্রকল্পটির কাজ ১২টি প্যাকেজের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হবে। এর মধ্যে প্যাকেজে সিপি-১ এর আওতায় ডিপো এলাকায় ভুমি উন্নয়ন করার কাজটি শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর। যেখানে ডিপো নির্মাণ করা হবে সেখানে অনেক উঁচু নিচু জায়গা আছে। সেগুলো ভরাট করার কাজ শুরু হবে। তারপর সেখানেই ডিপো নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের নথি বলছে, পাতাল ও উড়াল মিলে মেট্রোরেল লাইন-১ এর মোট দৈর্ঘ্য ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটার। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত পাতাল অংশের দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। অন্যদিকে নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত নির্মাণ হবে উড়ালপথ, যার দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার। পাতাল পথে স্টেশন হবে ১২টি এবং উড়ালপথে থাকবে ৭টি। উভয় পথে মোট ১৯টি স্টেশন হবে।