শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাসেল বেঁচে থাকলে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতেন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) ‘শেখ রাসেল দিবস’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের শুভ জন্মদিন ও ‘শেখ রাসেল দিবস’ উপলক্ষ্যে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে হয়তো আজ দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতেন ও নেতৃত্ব দিতেন। কিন্তু বাঙালি জাতির দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে শহীদ হন। সেদিন ঘাতকরা দশ বছরের ছোট্ট শিশু রাসেলকেও রেহাই দেয়নি। ছোট্ট রাসেল সেদিন ঘাতকদের মিনতি করে বলেছিল, ‘আমি মায়ের কাছে যাব’, কিন্তু কুলাঙ্গার ঘাতকদল তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শেখ রাসেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি। রাসেল আজ বিশ্বে অধিকার বঞ্চিত শিশুদের প্রতীক ও মানবিকসত্তা হিসেবে সবার মাঝে বেঁচে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি বলেন, ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু পরিবারে আনন্দের বার্তা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন শেখ রাসেল। আদরের রাসেল ছিলেন পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোটো। বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রিয় ব্যক্তিত্ব বিখ্যাত দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেলের নামানুসারে ছোটো ছেলের নাম রেখেছিলেন রাসেল। রাষ্ট্রপতি বলেন, রাজনৈতিক কারণে বঙ্গবন্ধুকে জীবনের দীর্ঘ সময় কাটাতে হয়েছে কারাগারে। এজন্য শিশু রাসেল পিতার কাক্সিক্ষত সান্নিধ্য ও আদর যত্ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতো রাসেলও ছিলেন সহজ-সরল ও অত্যন্ত বিনয়ী। অন্য শিশুদের সাথে নিজের জামা-কাপড় ও খেলনা ভাগাভাগি করা এবং মানুষের উপকার করার চেষ্টা তার মাঝে ছোটবেলা থেকেই পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি ছিলেন আদর্শ পিতার যোগ্য সন্তান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

রাসেল বেঁচে থাকলে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতেন

প্রকাশিত সময় : ১০:০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) ‘শেখ রাসেল দিবস’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শহীদ শেখ রাসেলের শুভ জন্মদিন ও ‘শেখ রাসেল দিবস’ উপলক্ষ্যে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে হয়তো আজ দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতেন ও নেতৃত্ব দিতেন। কিন্তু বাঙালি জাতির দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে শহীদ হন। সেদিন ঘাতকরা দশ বছরের ছোট্ট শিশু রাসেলকেও রেহাই দেয়নি। ছোট্ট রাসেল সেদিন ঘাতকদের মিনতি করে বলেছিল, ‘আমি মায়ের কাছে যাব’, কিন্তু কুলাঙ্গার ঘাতকদল তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শেখ রাসেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি। রাসেল আজ বিশ্বে অধিকার বঞ্চিত শিশুদের প্রতীক ও মানবিকসত্তা হিসেবে সবার মাঝে বেঁচে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। তিনি বলেন, ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু পরিবারে আনন্দের বার্তা নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন শেখ রাসেল। আদরের রাসেল ছিলেন পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে সবার ছোটো। বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রিয় ব্যক্তিত্ব বিখ্যাত দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেলের নামানুসারে ছোটো ছেলের নাম রেখেছিলেন রাসেল। রাষ্ট্রপতি বলেন, রাজনৈতিক কারণে বঙ্গবন্ধুকে জীবনের দীর্ঘ সময় কাটাতে হয়েছে কারাগারে। এজন্য শিশু রাসেল পিতার কাক্সিক্ষত সান্নিধ্য ও আদর যত্ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মতো রাসেলও ছিলেন সহজ-সরল ও অত্যন্ত বিনয়ী। অন্য শিশুদের সাথে নিজের জামা-কাপড় ও খেলনা ভাগাভাগি করা এবং মানুষের উপকার করার চেষ্টা তার মাঝে ছোটবেলা থেকেই পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি ছিলেন আদর্শ পিতার যোগ্য সন্তান।