আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটিয়ে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবিতে বিরোধী দলগুলোর ডাকা অবরোধ আজ বুধবার (১ নভেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে। গতকাল মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের সড়ক, রেল ও নৌপথের অবরোধ চলবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।
আজও রাজধানীতে সীমিত সংখ্যক যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। সতর্ক অবস্থান নিতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদেরও। এরমধ্যে রাজধানীর নর্দা কালা চাঁদপুর, কোকাকোলা, নতুন বাজার, বাঁশতলা ও বাড্ডা এলাকায় খুব একটা চোখে পড়েনি গণপরিবহন। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে অফিসগামীদের। অনেককেই অপেক্ষা করতে দেখা গেছে দীর্ঘ সময় ধরে।
বুধবার সকাল থেকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া খুব একটা রাস্তায় বের হতে দেখা যায়নি সাধারণ মানুষকে। দূরপাল্লার বাসগুলোকে দেখা গেছে বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করতে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যায়নি। ট্রেন চলছে, তবে সীমিত সংখ্যক যাত্রী নিয়ে।
এর আগে প্রথম দিনের অবরোধের শুরুতে কিছুটা চলাচল করলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সীমিত হতে থাকে যান চলাচল। ফলে ফাঁকা দেখে গেছে রাজধানী। দেশের অন্য জেলায়ও ছিল একই চিত্র। সাধারণ মানুষ জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে যাননি। দূরপাল্লার বাস কম ছেড়েছে। ট্রেন চলেছে, তবে যাত্রী কম ছিল। লঞ্চ ছেড়েছে। তাতেও যাত্রী কম ছিল।
এদিকে অবরোধের প্রথম দিনে খোলা ছিল রাজধানীসহ সারাদেশের বড় বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। তবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি হাতে গোনা। বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতা ছিল স্বল্প সংখ্যক। ফলে ভালো হয়নি বেচাকেনা। বিনোদনকেন্দ্রগুলো ছিল অনেকটা ফাঁকা। বিভিন্ন জেলার পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে পর্যটক কমেছে। সব মিলিয়ে দেশের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

দৈনিক দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 

























