শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোটের ডিউটির আগে বিয়ের ব্যবস্থা করুন, প্রশাসনকে শিক্ষকের চিঠি

দায়িত্ব পড়েছিল ভোটের ডিউটির। কিন্তু নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রশিক্ষণই নিতে গেলেন না এক স্কুল শিক্ষক। পরে ওই শিক্ষক প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, বিয়ের পিঁড়িতে বসাই এই মুহূর্তে তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য। এটি না করা পর্যন্ত অন্য কিছু করতে তিনি রাজি নন। এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, অখিলেশকুমার মিশ্র ভোপালের কাছাকাছি অবস্থিত সাতনা জেলার একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংস্কৃত পড়ান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তাঁকে ভোটের ডিউটি দেওয়া হয়েছিল। যার জন্য গত ১৬ ও ১৭ অক্টোবর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু তিনি প্রশিক্ষণ এড়িয়ে যান। তারপরই অখিলেশের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়।

প্রশাসনের পাঠানো নোটিসের উত্তরে নিজের একাকী জীবনের দুঃখের কথা তুলে ধরেন এই শিক্ষক। তিনি লেখেন, আমার গোটা জীবনটাই স্ত্রী ছাড়া কেটে যাচ্ছে। আমার সমস্ত রাত বৃথা চলে যাচ্ছে। আগে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করুন। অখিলেশ তাঁর চিঠিতে আরও জানান, তাঁর সাড়ে তিন লাখ রুপি যৌতুক প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ফ্ল্যাট কেনার জন্যও ঋণ দরকার ।

অখিলেশের কাছ থেকে এমন চিঠি পাওয়ার পর সাতনা জেলা প্রশাসক অনুরাগ ভার্মা ২ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁকে বরখাস্ত করেছেন।

অখিলেশের এক সহকর্মী জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি অবসাদে ভুগছেন। জানা গেছে, কয়েক বছর আগেই মোবাইল ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছেন অখিলেশ। ফলে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। দায়িত্ব পড়েছিল ভোটের ডিউটির। কিন্তু নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রশিক্ষণই নিতে গেলেন না এক স্কুল শিক্ষক। পরে ওই শিক্ষক প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, বিয়ের পিঁড়িতে বসাই এই মুহূর্তে তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য। এটি না করা পর্যন্ত অন্য কিছু করতে তিনি রাজি নন। এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, অখিলেশকুমার মিশ্র ভোপালের কাছাকাছি অবস্থিত সাতনা জেলার একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংস্কৃত পড়ান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তাঁকে ভোটের ডিউটি দেওয়া হয়েছিল। যার জন্য গত ১৬ ও ১৭ অক্টোবর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু তিনি প্রশিক্ষণ এড়িয়ে যান। তারপরই অখিলেশের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়।

প্রশাসনের পাঠানো নোটিসের উত্তরে নিজের একাকী জীবনের দুঃখের কথা তুলে ধরেন এই শিক্ষক। তিনি লেখেন, আমার গোটা জীবনটাই স্ত্রী ছাড়া কেটে যাচ্ছে। আমার সমস্ত রাত বৃথা চলে যাচ্ছে। আগে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করুন। অখিলেশ তাঁর চিঠিতে আরও জানান, তাঁর সাড়ে তিন লাখ রুপি যৌতুক প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ফ্ল্যাট কেনার জন্যও ঋণ দরকার ।

অখিলেশের কাছ থেকে এমন চিঠি পাওয়ার পর সাতনা জেলা প্রশাসক অনুরাগ ভার্মা ২ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁকে বরখাস্ত করেছেন।

অখিলেশের এক সহকর্মী জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি অবসাদে ভুগছেন। জানা গেছে, কয়েক বছর আগেই মোবাইল ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছেন অখিলেশ। ফলে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

ভোটের ডিউটির আগে বিয়ের ব্যবস্থা করুন, প্রশাসনকে শিক্ষকের চিঠি

প্রকাশিত সময় : ১০:১৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৩

দায়িত্ব পড়েছিল ভোটের ডিউটির। কিন্তু নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রশিক্ষণই নিতে গেলেন না এক স্কুল শিক্ষক। পরে ওই শিক্ষক প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, বিয়ের পিঁড়িতে বসাই এই মুহূর্তে তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য। এটি না করা পর্যন্ত অন্য কিছু করতে তিনি রাজি নন। এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, অখিলেশকুমার মিশ্র ভোপালের কাছাকাছি অবস্থিত সাতনা জেলার একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংস্কৃত পড়ান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তাঁকে ভোটের ডিউটি দেওয়া হয়েছিল। যার জন্য গত ১৬ ও ১৭ অক্টোবর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু তিনি প্রশিক্ষণ এড়িয়ে যান। তারপরই অখিলেশের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়।

প্রশাসনের পাঠানো নোটিসের উত্তরে নিজের একাকী জীবনের দুঃখের কথা তুলে ধরেন এই শিক্ষক। তিনি লেখেন, আমার গোটা জীবনটাই স্ত্রী ছাড়া কেটে যাচ্ছে। আমার সমস্ত রাত বৃথা চলে যাচ্ছে। আগে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করুন। অখিলেশ তাঁর চিঠিতে আরও জানান, তাঁর সাড়ে তিন লাখ রুপি যৌতুক প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ফ্ল্যাট কেনার জন্যও ঋণ দরকার ।

অখিলেশের কাছ থেকে এমন চিঠি পাওয়ার পর সাতনা জেলা প্রশাসক অনুরাগ ভার্মা ২ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁকে বরখাস্ত করেছেন।

অখিলেশের এক সহকর্মী জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি অবসাদে ভুগছেন। জানা গেছে, কয়েক বছর আগেই মোবাইল ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছেন অখিলেশ। ফলে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। দায়িত্ব পড়েছিল ভোটের ডিউটির। কিন্তু নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের প্রশিক্ষণই নিতে গেলেন না এক স্কুল শিক্ষক। পরে ওই শিক্ষক প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, বিয়ের পিঁড়িতে বসাই এই মুহূর্তে তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য। এটি না করা পর্যন্ত অন্য কিছু করতে তিনি রাজি নন। এমন ঘটনাই ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, অখিলেশকুমার মিশ্র ভোপালের কাছাকাছি অবস্থিত সাতনা জেলার একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংস্কৃত পড়ান। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তাঁকে ভোটের ডিউটি দেওয়া হয়েছিল। যার জন্য গত ১৬ ও ১৭ অক্টোবর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু তিনি প্রশিক্ষণ এড়িয়ে যান। তারপরই অখিলেশের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিস পাঠানো হয়।

প্রশাসনের পাঠানো নোটিসের উত্তরে নিজের একাকী জীবনের দুঃখের কথা তুলে ধরেন এই শিক্ষক। তিনি লেখেন, আমার গোটা জীবনটাই স্ত্রী ছাড়া কেটে যাচ্ছে। আমার সমস্ত রাত বৃথা চলে যাচ্ছে। আগে আমার বিয়ের ব্যবস্থা করুন। অখিলেশ তাঁর চিঠিতে আরও জানান, তাঁর সাড়ে তিন লাখ রুপি যৌতুক প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ফ্ল্যাট কেনার জন্যও ঋণ দরকার ।

অখিলেশের কাছ থেকে এমন চিঠি পাওয়ার পর সাতনা জেলা প্রশাসক অনুরাগ ভার্মা ২ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁকে বরখাস্ত করেছেন।

অখিলেশের এক সহকর্মী জানিয়েছেন, গত কয়েক বছর ধরেই তিনি অবসাদে ভুগছেন। জানা গেছে, কয়েক বছর আগেই মোবাইল ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছেন অখিলেশ। ফলে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।