বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটি করে প্রজ্ঞাপন

আগামী হজ মৌসুমকে আরও সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন করতে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদকে সভাপতি করে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করেছে সরকার। গত ২৯ মার্চ (রোববার) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নবগঠিত এই কমিটিতে ধর্মমন্ত্রীর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও অর্থসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি হজের যাবতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, হজ প্যাকেজ অনুমোদন এবং জাতীয় কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সরাসরি কাজ করবে। কমিটির সভাপতি হিসেবে ধর্মমন্ত্রী সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন, তবে বিশেষ প্রয়োজনে তার মনোনীত কোনো সদস্যও সভার কাজ পরিচালনা করতে পারবেন। এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটি নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতা রাখবে এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। নতুন এই প্রজ্ঞাপন জারির ফলে ২০২৪ সালের ২ অক্টোবরে গঠিত আগের কমিটিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটি করে প্রজ্ঞাপন

প্রকাশিত সময় : ০৩:৩১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

আগামী হজ মৌসুমকে আরও সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন করতে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদকে সভাপতি করে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন করেছে সরকার। গত ২৯ মার্চ (রোববার) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নবগঠিত এই কমিটিতে ধর্মমন্ত্রীর পাশাপাশি স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও অর্থসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানদের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি হজের যাবতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, হজ প্যাকেজ অনুমোদন এবং জাতীয় কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সরাসরি কাজ করবে। কমিটির সভাপতি হিসেবে ধর্মমন্ত্রী সকল সভায় সভাপতিত্ব করবেন, তবে বিশেষ প্রয়োজনে তার মনোনীত কোনো সদস্যও সভার কাজ পরিচালনা করতে পারবেন। এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী কমিটি নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার ক্ষমতা রাখবে এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে। নতুন এই প্রজ্ঞাপন জারির ফলে ২০২৪ সালের ২ অক্টোবরে গঠিত আগের কমিটিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে।