শুধু ভক্ত-সমর্থকরাই নয়, মেসির মায়াবী বিভ্রমে বশীভূত হন প্রতিপক্ষ ফুটবলাররাও। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালেই যেমন, মেসির ইন্দ্রজালে আটকা পড়ে বিদায় নেওয়ার পর হ্যারি কেইন আরও একবার বললেন, আর্জেন্টাইন জাদুকরই সর্বকালের সেরা ফুটবলার।
শেষ পর্যন্ত তার দুই অ্যাসিস্ট থেকেই গোল করে আর্জেন্টিনার আরেকটি প্রত্যাবর্তনের গল্প রচনা করেছেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। ম্যাচ শেষে তাই হেরে গেলেও মেসির শ্রেষ্ঠত্ব মেনে নিতে কার্পণ্য করলেন না কেইন।
“বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে যেমনটা হয়, তাদের কাছে যখন ফাইনাল থার্ডে (প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সের কাছাকাছি এলাকা) বল থাকে, তারা যেকোনো মুহূর্তে জাদু দেখাতে পারে।”
অথচ ম্যাচের ৮৪ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড। ম্যাড়ম্যাড়ে প্রথমার্ধের পর ৫৫ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে লিড নেয় তারা। সেখান থেকে ৮৫ মিনিটে সমতা ফেরান এনজো।
পরে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ইনজুরি টাইমের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির মাপা ক্রসে চমৎকার হেডে বল জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন লাউতারো।
এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত হেরে যাওয়ায় নিজেদের ব্যর্থতার কথাই বললেন কেইন।
“আমি আগেও বলেছি, শেষ ২০ মিনিটে আমরা যে পরিমাণ জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলাম, তা হতাশাজনক। এই সুযোগটা শুধু তাকে নয়, অন্য খেলোয়াড়দেরও ম্যাচে ফিরে আসার এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছিল।”

স্পোর্টস ডেস্ক/ ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 



















