মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জমিতে কোদাল চালিয়ে নেটিজেনদের মুগ্ধ করলেন জয়া

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয়ের পাশাপাশি প্রকৃতি ও কৃষিকাজের প্রতিও গভীর অনুরাগী। শুটিংয়ের ব্যস্ততার ফাঁকেও নিজের বাড়ির বাগানে সবজি, ফল ও নানা ধরনের গাছের পরিচর্যায় সময় কাটান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে আবারো ধরা পড়েছে তার সেই মাটির কাছাকাছি জীবনযাপনের চিত্র।

ভিডিওতে দেখা যায়, মেকআপহীন সাদামাটা পোশাকে খালি পায়ে বাগানে কাজ করছেন জয়া। নিজ হাতে কোদাল চালিয়ে জমির মাটি প্রস্তুত করছেন তিনি। একজন সহায়তাকারীর সঙ্গে মাটিতে গোবর-সার মেশাতেও দেখা যায় তাকে। কাজের ফাঁকেই হাসিমুখে নিজের বাগানের বিভিন্ন গাছের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন দর্শকদের। তার বাগানে রয়েছে আম, তাল গাছ। রয়েছে জবা ফুল, পুকুরে পদ্ম।

পর্দার গ্ল্যামারাস এই অভিনেত্রীকে এমন স্বাভাবিক ও পরিশ্রমী রূপে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা। ভিডিওটির মন্তব্যের ঘর ভরে গেছে প্রশংসায়। কেউ লিখেছেন, “মাটির মানুষ।”, আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, “মাটির সঙ্গে বন্ধুত্ব—এটাই সত্যিকারের সৌন্দর্য।” 

একজন ভক্ত রসিকতা করে লিখেছেন, “কোদাল দিয়ে কাজ করলে মনে হয় বয়স ধরে রাখা সম্ভব।” আরেকজনের মন্তব্য, “সুন্দর আর স্লিম থাকার রহস্যই হলো নিয়মিত পরিশ্রম।” তবে কিছু মন্তব্যে রসিকতার ছলে অন্যদের সঙ্গে তুলনাও টানা হয়েছে

বয়সকে হার মানিয়ে নিজের সৌন্দর্য ও ফিটনেস ধরে রাখার জন্য প্রায়ই আলোচনায় থাকেন জয়া আহসান। তবে তার ফিট থাকার রহস্য কঠোর জিম বা কড়া ডায়েট নয়; বরং দৈনন্দিন কায়িক পরিশ্রম। এর আগেও ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, নিয়মিত জিম করার প্রতি তার তেমন আগ্রহ নেই।

জয়া জানান, নতুন কোনো সিনেমার শুটিংয়ের আগে প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েক মাস পিলাটিজ বা শরীরচর্চা করলেও সারা বছর নিয়মিত জিমে যাওয়া হয় না। বরং নিজের বাড়ির বাগানে কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি।

ফিট থাকতে নিয়মিত জিম করার প্রয়োজন পড়ে না জয়ার। এ ক্ষেত্রে কায়িক পরিশ্রমই তাকে সাহায্য করে। এসব তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “জিম যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে প্রত্যেকেই নিজের মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। মাটি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে প্রয়োজনে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও নিজেই করি।” 

জয়ার এই সহজ-সরল জীবনধারা ও প্রকৃতিপ্রেম আবারো ভক্তদের মন জয় করেছে। অনেকের মতে, তারকা পরিচয়ের আড়ালেও মাটির সঙ্গে এই নিবিড় সম্পর্কই জয়া আহসানকে আরো অনন্য করে তুলেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জমিতে কোদাল চালিয়ে নেটিজেনদের মুগ্ধ করলেন জয়া

প্রকাশিত সময় : ০৯:৫৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান অভিনয়ের পাশাপাশি প্রকৃতি ও কৃষিকাজের প্রতিও গভীর অনুরাগী। শুটিংয়ের ব্যস্ততার ফাঁকেও নিজের বাড়ির বাগানে সবজি, ফল ও নানা ধরনের গাছের পরিচর্যায় সময় কাটান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে আবারো ধরা পড়েছে তার সেই মাটির কাছাকাছি জীবনযাপনের চিত্র।

ভিডিওতে দেখা যায়, মেকআপহীন সাদামাটা পোশাকে খালি পায়ে বাগানে কাজ করছেন জয়া। নিজ হাতে কোদাল চালিয়ে জমির মাটি প্রস্তুত করছেন তিনি। একজন সহায়তাকারীর সঙ্গে মাটিতে গোবর-সার মেশাতেও দেখা যায় তাকে। কাজের ফাঁকেই হাসিমুখে নিজের বাগানের বিভিন্ন গাছের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন দর্শকদের। তার বাগানে রয়েছে আম, তাল গাছ। রয়েছে জবা ফুল, পুকুরে পদ্ম।

পর্দার গ্ল্যামারাস এই অভিনেত্রীকে এমন স্বাভাবিক ও পরিশ্রমী রূপে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা। ভিডিওটির মন্তব্যের ঘর ভরে গেছে প্রশংসায়। কেউ লিখেছেন, “মাটির মানুষ।”, আবার কেউ মন্তব্য করেছেন, “মাটির সঙ্গে বন্ধুত্ব—এটাই সত্যিকারের সৌন্দর্য।” 

একজন ভক্ত রসিকতা করে লিখেছেন, “কোদাল দিয়ে কাজ করলে মনে হয় বয়স ধরে রাখা সম্ভব।” আরেকজনের মন্তব্য, “সুন্দর আর স্লিম থাকার রহস্যই হলো নিয়মিত পরিশ্রম।” তবে কিছু মন্তব্যে রসিকতার ছলে অন্যদের সঙ্গে তুলনাও টানা হয়েছে

বয়সকে হার মানিয়ে নিজের সৌন্দর্য ও ফিটনেস ধরে রাখার জন্য প্রায়ই আলোচনায় থাকেন জয়া আহসান। তবে তার ফিট থাকার রহস্য কঠোর জিম বা কড়া ডায়েট নয়; বরং দৈনন্দিন কায়িক পরিশ্রম। এর আগেও ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, নিয়মিত জিম করার প্রতি তার তেমন আগ্রহ নেই।

জয়া জানান, নতুন কোনো সিনেমার শুটিংয়ের আগে প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েক মাস পিলাটিজ বা শরীরচর্চা করলেও সারা বছর নিয়মিত জিমে যাওয়া হয় না। বরং নিজের বাড়ির বাগানে কাজ করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি।

ফিট থাকতে নিয়মিত জিম করার প্রয়োজন পড়ে না জয়ার। এ ক্ষেত্রে কায়িক পরিশ্রমই তাকে সাহায্য করে। এসব তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “জিম যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে প্রত্যেকেই নিজের মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। মাটি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে প্রয়োজনে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও নিজেই করি।” 

জয়ার এই সহজ-সরল জীবনধারা ও প্রকৃতিপ্রেম আবারো ভক্তদের মন জয় করেছে। অনেকের মতে, তারকা পরিচয়ের আড়ালেও মাটির সঙ্গে এই নিবিড় সম্পর্কই জয়া আহসানকে আরো অনন্য করে তুলেছে।