স্থানীয় সময় শনিবার সকালে ফোর্ট লডারডেল ছাড়েন মেসি। রাত ৮টার কিছু পর রোজারিওতে পৌঁছান তিনি। মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরু থেকে তার বাবা হোর্হে ছিলেন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। ছেলের শৈশব ও ক্যারিয়ারের শুরুর সময়গুলোতে তার ভূমিকা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ
হোর্হে মেসির শেষকৃত্য পারিবারিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। এতে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাই উপস্থিত থাকবেন। তবে মেসির বাবার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সমাধিস্থলের বাইরে ভিড় করেছেন অসংখ্য সমর্থক। তারা মেসি পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে সেখানে জড়ো হন।
বাবার মৃত্যুর কারণে ইন্টার মায়ামির হয়ে লিগস কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও খেলতে পারেননি মেসি। পরিবারের পাশে থাকার জন্য তাকে ছুটি দিয়েছিল ক্লাবটি। মন্টেরের বিপক্ষে ওই ম্যাচে মেসির শুরুর একাদশে থাকার কথা ছিল। তবে তাকে ছাড়াই খেলতে নেমে ২-১ গোলে হেরে যায় মায়ামি। রদ্রিগো ডি পলের গোলে এগিয়ে গিয়েও ম্যাচটি ধরে রাখতে পারেনি তারা।
হোর্হে মেসির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফুটবল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শোকবার্তা এসেছে। মেসির সাবেক ক্লাব বার্সেলোনা, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ এবং রোজারিওর ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রাল ও নিউয়েলস ওল্ড বয়েজ মেসি পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।
হোর্হে মেসি কখনোই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চাননি। তবে ছেলের অসাধারণ ফুটবল ক্যারিয়ারের নেপথ্যে তার অবদান ছিল বিশাল। ছোটবেলা থেকে মেসির ফুটবলস্বপ্নকে সমর্থন করা, ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পাশে থাকা এবং তার পথচলায় দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন নীরব কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক শক্তি।
বাবাকে হারিয়ে গভীর শোকে মেসি এখন ফিরেছেন সেই রোজারিওতেই, যেখান থেকে শুরু হয়েছিল তার ফুটবলজীবনের পথচলা। এবার সেখানেই জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানুষকে শেষ বিদায় জানাবেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

স্পোর্টস ডেস্ক/ ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম 





















