মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজশাহীতে স্বর্ণা খাতুন (২৬) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরের মতিহার থানার পশ্চিম বুধপাড়া মহল্লার নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্বর্ণা খাতুনের বাবার নাম শামিম ভুঁইয়া। পুলিশের ধারণা, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্বর্ণার বিয়ে হয়েছিল। পরে স্বামীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি পড়াশোনায় মনোযোগ দেন। ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে। সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন তিনি।

২০২৩ সালে পড়াশোনা শেষ করার পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগ দেন স্বর্ণা। কিছুদিন আগে ছুটিতে রাজশাহী এসে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরে তার গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানান, পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বর্ণা কোনো কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। এ জন্য তার চিকিৎসাও চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় স্বর্ণার মা বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে নতুন আলোচনার দরকার নেই

রাজশাহীতে তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত সময় : ০৫:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহীতে স্বর্ণা খাতুন (২৬) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নগরের মতিহার থানার পশ্চিম বুধপাড়া মহল্লার নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্বর্ণা খাতুনের বাবার নাম শামিম ভুঁইয়া। পুলিশের ধারণা, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্বর্ণার বিয়ে হয়েছিল। পরে স্বামীর সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি পড়াশোনায় মনোযোগ দেন। ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে। সেখান থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন তিনি।

২০২৩ সালে পড়াশোনা শেষ করার পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিতে যোগ দেন স্বর্ণা। কিছুদিন আগে ছুটিতে রাজশাহী এসে বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরে তার গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম কবির জানান, পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বর্ণা কোনো কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। এ জন্য তার চিকিৎসাও চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এ কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় স্বর্ণার মা বাদী হয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।