রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটিবন্দর এলাকায় মেঘনা নদী ও কাশবনসংলগ্ন স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আদিয়ান ফারিজ (১২) জানায়, তারা সেদিন স্কুলে না গিয়ে ভাটিবন্দর এলাকায় কাশবন দেখতে গিয়েছিল। একপর্যায়ে সবাই মিলে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামে।
আদিয়ান ফারিজ বলেন, তিনি নদীর তীরের কাছাকাছি থাকায় সাঁতরে নিরাপদে উঠে আসতে পারেন। কিন্তু তার দুই চাচাতো ভাই ও তাদের এক বন্ধু নদীর পাড়ে থাকা একটি বালুর ট্রলারে ওঠে। ট্রলার থেকে নামার সময় তারা হঠাৎ পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন এবং পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা জাহেদ চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভাটিবন্দর এলাকায় মেঘনা নদীতে তিন শিক্ষার্থী নিখোঁজের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় প্রথমে দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আধা ঘণ্টার ব্যবধানে অপর শিক্ষার্থীর মরদেহও উদ্ধার করা হয়।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। মরদেহগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
দুই জমজ ভাইয়ের এমন অকালমৃত্যুতে তাদের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে পুরো বাড়িমজলিশ এলাকায় চলছে শোকের মাতম।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 

























