শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রস্তুত ৪৬৬ আশ্রয়কেন্দ্র নোয়াখালীতে পানিবন্দি প্রায় ৬৪ হাজার পরিবার

নোয়াখালীতে টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৬৩ হাজার ৮৬০ পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে

তবে জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ভোর থেকে বৃষ্টি না হওয়ায়।

এরই মধ্যে ১৯ আশ্রয়কেন্দ্রে ২৬৮ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি পানিতে ডুবে গেছে গ্রামের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠ।

সদর উপজেলার বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, ভারী বর্ষণের ফলে আমাদের বসতঘর ও তার আশপাশ ডুবে গেছে। আমরা পানিবন্দি অবস্থায় আছি। তবে ভোর রাত থেকে বৃষ্টি নাই তাই স্বস্তি লাগছে

কোম্পানীগঞ্জের চরফকিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, আমাদের এদিকে ২৪ সালের বন্যার থেকেও বেশি পানি হয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, আমাদের প্রায় ৯ হাজার স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। ১০১ মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। ৫০০ টন চাল, ২৭৮০ প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া নগদ ১৮ লাখ টাকা রয়েছে। জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

প্রস্তুত ৪৬৬ আশ্রয়কেন্দ্র নোয়াখালীতে পানিবন্দি প্রায় ৬৪ হাজার পরিবার

প্রকাশিত সময় : ১১:৩৯:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

নোয়াখালীতে টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৬৩ হাজার ৮৬০ পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে

তবে জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ভোর থেকে বৃষ্টি না হওয়ায়।

এরই মধ্যে ১৯ আশ্রয়কেন্দ্রে ২৬৮ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি পানিতে ডুবে গেছে গ্রামের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলের মাঠ।

সদর উপজেলার বাসিন্দা মোজাম্মেল হক বলেন, ভারী বর্ষণের ফলে আমাদের বসতঘর ও তার আশপাশ ডুবে গেছে। আমরা পানিবন্দি অবস্থায় আছি। তবে ভোর রাত থেকে বৃষ্টি নাই তাই স্বস্তি লাগছে

কোম্পানীগঞ্জের চরফকিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা আমির হোসেন বলেন, আমাদের এদিকে ২৪ সালের বন্যার থেকেও বেশি পানি হয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, আমাদের প্রায় ৯ হাজার স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে। ১০১ মেডিকেল টিম প্রস্তুত করা হয়েছে। ৫০০ টন চাল, ২৭৮০ প্যাকেট শুকনো খাবার প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া নগদ ১৮ লাখ টাকা রয়েছে। জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।