বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ছয় বাংলাদেশি নিহত

ইরানের ওপর আমেরিকা-ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলায় মধ্যপাচ্যে ৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেনÑ কুমিল্লার শাহ আলম ভূঁইয়া, চট্টগ্রামের এসএম তারেক, টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন, ময়মনসিংহের আব্দুল্লাহ আল মামুন, কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও মৌলভীবাজারের আহমদ আলী।

জানা গেছে, নিহত ছয়জনই প্রবাসী শ্রমিক ছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন সৌদি আরবে, দুইজন সংযুক্ত আরব আমিরাতে এবং একজন বাহরাইনে নিহত হয়েছেন। জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গিয়ে তারা যুদ্ধের নির্মম বলি হন। যুদ্ধে বাংলাদেশের প্রবাসীদের মৃত্যুতে তাদের পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার

জিরুইন গ্রামের শাহ আলম ভূঁইয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ অঞ্চলে একটি খামারে কাজ করার সময় ১ এপ্রিল সকালে ড্রোন হামলায় মারা যান। বাহরাইনে কর্মরত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা এসএম তারেক আলী ২ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে নিহত হন। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন। সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় ৮ মার্চ ইফতারের আগে শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হন বাচ্চু মিয়া। একই ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হয়ে পরে মারা যান ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের আব্দুল্লাহ আল মামুন, যার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। একই এলাকায় আরেক হামলায় নিহত হন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার মোশাররফ হোসেন। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে বসবাসরত আহমেদ আলী ২৮ ফেব্রুয়ারি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন। আজমান শহরে পানির গাড়ি চালানোর সময় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনি নিহত হন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ছয় বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশিত সময় : ১১:১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ওপর আমেরিকা-ইসরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলায় মধ্যপাচ্যে ৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেনÑ কুমিল্লার শাহ আলম ভূঁইয়া, চট্টগ্রামের এসএম তারেক, টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন, ময়মনসিংহের আব্দুল্লাহ আল মামুন, কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও মৌলভীবাজারের আহমদ আলী।

জানা গেছে, নিহত ছয়জনই প্রবাসী শ্রমিক ছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন সৌদি আরবে, দুইজন সংযুক্ত আরব আমিরাতে এবং একজন বাহরাইনে নিহত হয়েছেন। জীবিকার তাগিদে প্রবাসে গিয়ে তারা যুদ্ধের নির্মম বলি হন। যুদ্ধে বাংলাদেশের প্রবাসীদের মৃত্যুতে তাদের পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার

জিরুইন গ্রামের শাহ আলম ভূঁইয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ অঞ্চলে একটি খামারে কাজ করার সময় ১ এপ্রিল সকালে ড্রোন হামলায় মারা যান। বাহরাইনে কর্মরত চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাসিন্দা এসএম তারেক আলী ২ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে নিহত হন। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তান রেখে গেছেন। সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় ৮ মার্চ ইফতারের আগে শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হন বাচ্চু মিয়া। একই ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ হয়ে পরে মারা যান ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের আব্দুল্লাহ আল মামুন, যার শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। একই এলাকায় আরেক হামলায় নিহত হন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার মোশাররফ হোসেন। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে বসবাসরত আহমেদ আলী ২৮ ফেব্রুয়ারি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন। আজমান শহরে পানির গাড়ি চালানোর সময় ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তিনি নিহত হন।