রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খণ্ডিত সেই লাশটি কি বৃষ্টির, জানাল তদন্ত কর্মকর্তারা

যুক্তরাষ্ট্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পূর্ণাঙ্গ লাশ এখনও মেলেনি। তবে তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছে, সবশেষ উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত লাশটি বৃষ্টির হতে পারে।

টাম্পা বে ২৮ কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, তদন্তকারীরা গত রোববার (২৬ এপ্রিল) হাওয়ার্ড ফ্র‍্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের ঠিক দক্ষিণে একটি লাশ উদ্ধার করে। সেই লাশের সঙ্গে বৃষ্টির পরনে থাকা পোশাকের মিল পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন ফুটেজে নাহিদা বৃষ্টিকে শেষবার যে পোশাকে দেখা গিয়েছিল, উদ্ধারকৃত লাশের পরনে একই ধরনের পোশাক ছিল।

এরআগে, তদন্ত কর্মকর্তা বলেছিলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাসার ভেতর রক্তের মাঝে পাওয়া মানবদেহের একটি অংশের ডিএনএ পরীক্ষার পর নাহিদার সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন আবেদন আদালতে শুনানির সময় নামঞ্জুর করা হয়েছে। শুনানির সময় আদালত কক্ষে নিহত জামিল লিমন ও বৃষ্টির বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদা বৃষ্টি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত ছিলেন। এর আগে তিনি নোবিপ্রবির অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে কৃতিত্বের সঙ্গে পড়াশোনা শেষ করেন।

গত ১৬ এপ্রিল লিমনের টাম্পার বাসা থেকে তাকে সর্বশেষ দেখা যাওয়ার পর থেকেই তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন। এই ঘটনায় লিমনের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুগারবিয়েহ নামক এক মার্কিন নাগরিককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তার বাসা থেকেই নাহিদার মরদেহের নমুনা সংগৃহীত হয়েছে।

বর্তমানে এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী কারণ ছিল, তা উদঘাটনে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

খণ্ডিত সেই লাশটি কি বৃষ্টির, জানাল তদন্ত কর্মকর্তারা

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির পূর্ণাঙ্গ লাশ এখনও মেলেনি। তবে তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছে, সবশেষ উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত লাশটি বৃষ্টির হতে পারে।

টাম্পা বে ২৮ কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, তদন্তকারীরা গত রোববার (২৬ এপ্রিল) হাওয়ার্ড ফ্র‍্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের ঠিক দক্ষিণে একটি লাশ উদ্ধার করে। সেই লাশের সঙ্গে বৃষ্টির পরনে থাকা পোশাকের মিল পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন ফুটেজে নাহিদা বৃষ্টিকে শেষবার যে পোশাকে দেখা গিয়েছিল, উদ্ধারকৃত লাশের পরনে একই ধরনের পোশাক ছিল।

এরআগে, তদন্ত কর্মকর্তা বলেছিলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাসার ভেতর রক্তের মাঝে পাওয়া মানবদেহের একটি অংশের ডিএনএ পরীক্ষার পর নাহিদার সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তির জামিন আবেদন আদালতে শুনানির সময় নামঞ্জুর করা হয়েছে। শুনানির সময় আদালত কক্ষে নিহত জামিল লিমন ও বৃষ্টির বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদা বৃষ্টি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নরত ছিলেন। এর আগে তিনি নোবিপ্রবির অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে কৃতিত্বের সঙ্গে পড়াশোনা শেষ করেন।

গত ১৬ এপ্রিল লিমনের টাম্পার বাসা থেকে তাকে সর্বশেষ দেখা যাওয়ার পর থেকেই তিনি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন। এই ঘটনায় লিমনের রুমমেট হিশাম সালেহ আবুগারবিয়েহ নামক এক মার্কিন নাগরিককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তার বাসা থেকেই নাহিদার মরদেহের নমুনা সংগৃহীত হয়েছে।

বর্তমানে এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কী কারণ ছিল, তা উদঘাটনে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন