বিশ্লেষকদের ধারণা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনা আবারও স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ ‘ফক্স নিউজ সানডে’-কে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবে একটি ‘অত্যন্ত স্পষ্ট রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সেই প্রস্তাবের জবাব দিলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সেটাকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কোনো সমঝোতা না হওয়ায় বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ বহনকারী হরমুজ প্রণালি পুনরায় পুরোপুরি খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দেশটির এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, যেসব দেশ ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করছে, তাদের জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় ‘সমস্যার মুখোমুখি’ হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর তাদের নৌ-অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। গত শুক্রবার অবরোধ অমান্য করার চেষ্টা করা ইরানি পতাকাবাহী তেলবাহী দুটি ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
বর্তমানে অপরিশোধিত তেলের দাম যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় ব্যারেলপ্রতি প্রায় ২০ ডলার এবং মার্কিন অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ১০ ডলার বেশি। তেলের এই উচ্চমূল্যের কারণে আমেরিকানদের বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে।

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 
























