বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় সোমবার (১ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এদিন বৈশ্বিক তেলের আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৮৯ ডলারে পৌঁছায়। যা আগের দিনের ৯১ দশমিক ১২ ডলারের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম আগের সেশনের ৮৭ দশমিক ৩ ডলার থেকে বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ১৯ ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এই তেলের দাম প্রায় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার পর এই মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটল। মূলত পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে চলমান এই সংঘাতটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি উৎপাদন ও পরিবহন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) রোববার রাতে জানায়, ইরানের গোরুক এলাকায় অবস্থিত রাডার ও ড্রোন নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং কেশম দ্বীপের স্থাপনায় তারা ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে। এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, শনিবার ও রোববার পরিচালিত এসব ‘পরিমিত ও পরিকল্পিত’ হামলা ছিল ইরানের ‘আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের’ জবাব। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমার ওপর উড্ডয়নরত একটি মার্কিন এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনাও রয়েছে।
সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার পর মার্কিন যুদ্ধবিমান দ্রুত পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি স্থল নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ও দুটি একমুখী হামলাকারী ড্রোন ধ্বংস করে। তাদের দাবি, এগুলো আঞ্চলিক সমুদ্রসীমায় চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য ‘স্পষ্ট হুমকি’ ছিল।
সেন্টকম আরও বলেছে, চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে ইরানের ‘অযৌক্তিক আগ্রাসনের’ জবাবে অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সম্পদ ও স্বার্থ রক্ষায় তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রিপোর্টারের নাম 























