সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘উনি একজন ওস্তাদ’

সব সময় আলোচনায় থাকেন হালের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। সিনেমার থেকে বেশি তাকে ঘিরে আলোচনা হয় নেটদুনিয়ায়। যা আসে খবরের শিরোনামেও। আর পরী নিজেও সামাাজিকমাধ্যমে বেশ সরব। এছাড়াও শোবিজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার আনাগোনা নিয়মিত।

সম্প্রতি ঈদের বিশেষ একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন পরীমণি। মৌসুমী হামিদের উপস্থাপনায় ক্যারিয়ার, অভিনয়জীবন ও নানা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই চিত্রনায়িকা। আলাপচারিতার একপর্যায়ে পরিচালকদের প্রসঙ্গ উঠলে পরী জানান, অভিনয়জীবনে সবচেয়ে বেশি বকা খেয়েছেন নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের কাছে।

গিয়াসউদ্দিন সেলিমের কাজের প্রশংসা করে পরীমণি বলেন, ‘উনি শুধু পরিচালকই নন, উনি একজন ওস্তাদ।’

পরীর ভাষ্য, ‘শুটিং সেটে গিয়াসউদ্দিন সেলিমের অভিব্যক্তি দেখে বোঝা যেত না কোন দৃশ্যে তিনি সন্তুষ্ট, আর কোথায় সমস্যা। তার রিঅ্যাকশন সহজে বোঝা যেত না বলে সবাই সেটে একটু বিচলিত থাকতেন। ফলে শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে এক ধরনের চাপ কাজ করত।’

নায়িকা জানান, অনেক সময় ভালো অভিনয় করেও পরিচালকের প্রতিক্রিয়া বুঝতে পারতেন না। কখন একটি দৃশ্য পছন্দ হয়েছে, আর কখন হয়নি- তা বোঝা ছিল বেশ কঠিন। ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় পরী সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকতেন। কখন যে ভুল হয়ে যায়- সেই ভয়ে সেটে তটস্থ থাকত সবাই। শুটিং শেষ হওয়া পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন সেলিম নিজেও টেনশনে থাকতেন। পরিচালকের টেনশন দেখে পরীমণিও কিছুটা প্যানিকড হয়ে যেতেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

‘উনি একজন ওস্তাদ’

প্রকাশিত সময় : ১০:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

সব সময় আলোচনায় থাকেন হালের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমণি। সিনেমার থেকে বেশি তাকে ঘিরে আলোচনা হয় নেটদুনিয়ায়। যা আসে খবরের শিরোনামেও। আর পরী নিজেও সামাাজিকমাধ্যমে বেশ সরব। এছাড়াও শোবিজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার আনাগোনা নিয়মিত।

সম্প্রতি ঈদের বিশেষ একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেন পরীমণি। মৌসুমী হামিদের উপস্থাপনায় ক্যারিয়ার, অভিনয়জীবন ও নানা অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই চিত্রনায়িকা। আলাপচারিতার একপর্যায়ে পরিচালকদের প্রসঙ্গ উঠলে পরী জানান, অভিনয়জীবনে সবচেয়ে বেশি বকা খেয়েছেন নির্মাতা গিয়াসউদ্দিন সেলিমের কাছে।

গিয়াসউদ্দিন সেলিমের কাজের প্রশংসা করে পরীমণি বলেন, ‘উনি শুধু পরিচালকই নন, উনি একজন ওস্তাদ।’

পরীর ভাষ্য, ‘শুটিং সেটে গিয়াসউদ্দিন সেলিমের অভিব্যক্তি দেখে বোঝা যেত না কোন দৃশ্যে তিনি সন্তুষ্ট, আর কোথায় সমস্যা। তার রিঅ্যাকশন সহজে বোঝা যেত না বলে সবাই সেটে একটু বিচলিত থাকতেন। ফলে শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে এক ধরনের চাপ কাজ করত।’

নায়িকা জানান, অনেক সময় ভালো অভিনয় করেও পরিচালকের প্রতিক্রিয়া বুঝতে পারতেন না। কখন একটি দৃশ্য পছন্দ হয়েছে, আর কখন হয়নি- তা বোঝা ছিল বেশ কঠিন। ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় পরী সব সময় ভয়ে ভয়ে থাকতেন। কখন যে ভুল হয়ে যায়- সেই ভয়ে সেটে তটস্থ থাকত সবাই। শুটিং শেষ হওয়া পর্যন্ত গিয়াসউদ্দিন সেলিম নিজেও টেনশনে থাকতেন। পরিচালকের টেনশন দেখে পরীমণিও কিছুটা প্যানিকড হয়ে যেতেন।