বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব’, লিখলেন দীপ্তি চৌধুরী

জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগভরা একটি বার্তা শেয়ার করেছেন আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী।

বিয়ের একাধিক ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’।

মুহূর্তেই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দীপ্তি চৌধুরীর ব্যবহৃত বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাসের সংলাপের অনুকরণে লেখা।

মূল সংলাপে ছিল, ‘ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছ! তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।’ সেই বহুল পরিচিত সাহিত্যিক আবেগকে নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়ে ‘ডাক্তার সাহেব’-এর পরিবর্তে ‘মাস্টার সাহেব’ ব্যবহার করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৫ জুন) ঢাকার বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। ঘরোয়া পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই আয়োজনে নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানান স্বজনরা।

দীপ্তি চৌধুরীর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক।

উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেন এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।

বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরীর পরিবারের এক সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ আক্দ হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বড় আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হবে। সবার কাছে দীপ্তির নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাই।’

আক্দের পর সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরও কয়েকটি বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তাঁর ক্যাপশন। স্বামীকে ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন করে লেখা আবেগঘন বার্তাটি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পোস্টটির মন্তব্যের ঘরেও শুভেচ্ছার বন্যা বইছে। সহকর্মী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা জানিয়েছেন। বিয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরীকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা, আর ভক্ত-অনুরাগীরাও তাদের নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

‘প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব’, লিখলেন দীপ্তি চৌধুরী

প্রকাশিত সময় : ০১:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগভরা একটি বার্তা শেয়ার করেছেন আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী।

বিয়ের একাধিক ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’।

মুহূর্তেই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দীপ্তি চৌধুরীর ব্যবহৃত বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাসের সংলাপের অনুকরণে লেখা।

মূল সংলাপে ছিল, ‘ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছ! তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।’ সেই বহুল পরিচিত সাহিত্যিক আবেগকে নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়ে ‘ডাক্তার সাহেব’-এর পরিবর্তে ‘মাস্টার সাহেব’ ব্যবহার করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৫ জুন) ঢাকার বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। ঘরোয়া পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই আয়োজনে নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানান স্বজনরা।

দীপ্তি চৌধুরীর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক।

উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেন এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।

বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরীর পরিবারের এক সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ আক্দ হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বড় আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হবে। সবার কাছে দীপ্তির নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাই।’

আক্দের পর সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আরও কয়েকটি বিয়ের ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে আনন্দঘন মুহূর্তে দেখা যায়। তবে ছবির চেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তাঁর ক্যাপশন। স্বামীকে ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন করে লেখা আবেগঘন বার্তাটি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

পোস্টটির মন্তব্যের ঘরেও শুভেচ্ছার বন্যা বইছে। সহকর্মী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা জানিয়েছেন। বিয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরীকে ঘিরে চলছে নানা আলোচনা, আর ভক্ত-অনুরাগীরাও তাদের নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানাচ্ছেন।