রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাহিদ হাসানের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা, তবে ট্রফি দেখতে চান অন্য হাতে

প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। ছোটবেলা থেকেই ভক্ত ম্যারাডোনার। সময়ের সঙ্গে ভালোবেসেছেন লিওনেল মেসির ফুটবল জাদু। তবে এবারের বিশ্বকাপে অভিনেতা জাহিদ হাসানের প্রত্যাশা, শিরোপা জিতুক পর্তুগাল। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি দেখতে চান তিনি।

বাংলার প্রায় প্রতিটি ঘরেই ভিন্ন দলের সমর্থক রয়েছেন। জাহিদ হাসানের পরিবারও তার ব্যতিক্রম নয়। অভিনেতা আর্জেন্টিনার সমর্থক হলেও তার স্ত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ ব্রাজিলের সমর্থক। ফলে খেলা নিয়ে প্রায়ই তর্ক হয় দুজনের।

বাস্তব জীবনে বেশ ভুলোমনা স্বভাবের জাহিদ। আধাঘণ্টা আগে কী বলেছেন, সেটিই মনে রাখতে কষ্ট হয়। অন্যদিকে মৌ ঠিক তার উল্টো। পুরনো ঘটনা থেকে শুরু করে অভিনেতার বলা প্রতিটি কথাই যেন তার স্মৃতিতে গেঁথে থাকে। তাই খেলার তর্ক খুব বেশিদূর গড়াতে পারে না সংসারে।

সম্প্রতি দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দাম্পত্য জীবনের একটি মজার দিক শেয়ার করেছেন অভিনেতা। তার ভাষ্যমতে, বাস্তব জীবন আর অভিনয়কে কখনোই এক করে দেখেন না মৌ। জাহিদ হাসানের অভিনয়ের কোনো চরিত্রের ছাপ বাস্তব জীবনে চলে এলে সঙ্গে সঙ্গেই তাকে মনে করিয়ে দেন মৌ।

হাসি-আনন্দ আর খুঁনসুটির আড়ালে লুকিয়ে থাকে একজন মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত গল্পও। জীবন নিয়ে জাহিদ হাসানের দর্শন, জীবনের সবচেয়ে কঠিন অভিনয়টা করতে হয় বাস্তব জীবনেই। মানুষ যখন কষ্টে থাকে, তখনও তাকে হাসতে হয়। পেশাদার অভিনেতা হলেও সেই বাস্তব অভিনয়টা সবচেয়ে কঠিন মনে হয় তার কাছে।

মনের কষ্টগুলো খুব একটা প্রকাশ করেন না। শত দুঃখের মাঝেও মুখে হাসি রাখার চেষ্টা করেন। যখন ভেতরের ভারটা বেশি বেড়ে যায় তখন নির্জনে কোথাও একা বসে থাকেন জাহিদ হাসান। মন খারাপের দিনে কখনো চলে যান মসজিদে। সেখানে নিজের সঙ্গে কথা বলেন, কখনো জমে থাকা কষ্ট থেকে নিজেকে হালকা করতে নীরবে কাঁদেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় এ অভিনয়শিল্পী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

জাহিদ হাসানের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা, তবে ট্রফি দেখতে চান অন্য হাতে

জাহিদ হাসানের প্রিয় দল আর্জেন্টিনা, তবে ট্রফি দেখতে চান অন্য হাতে

প্রকাশিত সময় : ১০:৪৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। ছোটবেলা থেকেই ভক্ত ম্যারাডোনার। সময়ের সঙ্গে ভালোবেসেছেন লিওনেল মেসির ফুটবল জাদু। তবে এবারের বিশ্বকাপে অভিনেতা জাহিদ হাসানের প্রত্যাশা, শিরোপা জিতুক পর্তুগাল। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি দেখতে চান তিনি।

বাংলার প্রায় প্রতিটি ঘরেই ভিন্ন দলের সমর্থক রয়েছেন। জাহিদ হাসানের পরিবারও তার ব্যতিক্রম নয়। অভিনেতা আর্জেন্টিনার সমর্থক হলেও তার স্ত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ ব্রাজিলের সমর্থক। ফলে খেলা নিয়ে প্রায়ই তর্ক হয় দুজনের।

বাস্তব জীবনে বেশ ভুলোমনা স্বভাবের জাহিদ। আধাঘণ্টা আগে কী বলেছেন, সেটিই মনে রাখতে কষ্ট হয়। অন্যদিকে মৌ ঠিক তার উল্টো। পুরনো ঘটনা থেকে শুরু করে অভিনেতার বলা প্রতিটি কথাই যেন তার স্মৃতিতে গেঁথে থাকে। তাই খেলার তর্ক খুব বেশিদূর গড়াতে পারে না সংসারে।

সম্প্রতি দেয়া এক সাক্ষাৎকারে দাম্পত্য জীবনের একটি মজার দিক শেয়ার করেছেন অভিনেতা। তার ভাষ্যমতে, বাস্তব জীবন আর অভিনয়কে কখনোই এক করে দেখেন না মৌ। জাহিদ হাসানের অভিনয়ের কোনো চরিত্রের ছাপ বাস্তব জীবনে চলে এলে সঙ্গে সঙ্গেই তাকে মনে করিয়ে দেন মৌ।

হাসি-আনন্দ আর খুঁনসুটির আড়ালে লুকিয়ে থাকে একজন মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত গল্পও। জীবন নিয়ে জাহিদ হাসানের দর্শন, জীবনের সবচেয়ে কঠিন অভিনয়টা করতে হয় বাস্তব জীবনেই। মানুষ যখন কষ্টে থাকে, তখনও তাকে হাসতে হয়। পেশাদার অভিনেতা হলেও সেই বাস্তব অভিনয়টা সবচেয়ে কঠিন মনে হয় তার কাছে।

মনের কষ্টগুলো খুব একটা প্রকাশ করেন না। শত দুঃখের মাঝেও মুখে হাসি রাখার চেষ্টা করেন। যখন ভেতরের ভারটা বেশি বেড়ে যায় তখন নির্জনে কোথাও একা বসে থাকেন জাহিদ হাসান। মন খারাপের দিনে কখনো চলে যান মসজিদে। সেখানে নিজের সঙ্গে কথা বলেন, কখনো জমে থাকা কষ্ট থেকে নিজেকে হালকা করতে নীরবে কাঁদেন নব্বই দশকের জনপ্রিয় এ অভিনয়শিল্পী।