শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে দানবক্সে চিঠি

পাগলা মসজিদে কোটি কোটি টাকার সঙ্গে নামে-বেনামে মনোবাসনা পূরণের অনেক চিঠি পাওয়া যায়। এবারও তেমনি একটি ব্যতিক্রম চিঠি পাওয়া গেছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়েছে। এতে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। পরে মসজিদের দুই তলায় গণনার কাজ শুরু হয়। এ সময় বাংলাদেশ ফুটবল দলকে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে দেখতে চেয়ে পাঠানো এক ভক্তের একটি চিঠি পাওয়া যায়।

চিঠিটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহির

হে আল্লাহ,

আপনি সর্বশক্তিমান, আপনার কাছে আমার একটি প্রিয় স্বপ্নের কথা জানাচ্ছি। আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমায় প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মঞ্চে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক। হে আল্লাহ, আমাদের দেশে ফুটবলকে উন্নতি করুন, খেলোয়ারদের সফলতা দান করুন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরার তাওফিক দিন। আমিন…

(একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী)

এর আগে, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ৩ মাস ২৭ দিন পর মসজিদের দানবাক্স থেকে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়া, পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার

 

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ নাহিদ হাসনা খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সর্বাধিক পঠিত

তামান্নার খোলামেলা ভিডিও ভাইরাল, উত্তাল নেটদুনিয়া!

২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে চেয়ে দানবক্সে চিঠি

প্রকাশিত সময় : ০৬:১৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পাগলা মসজিদে কোটি কোটি টাকার সঙ্গে নামে-বেনামে মনোবাসনা পূরণের অনেক চিঠি পাওয়া যায়। এবারও তেমনি একটি ব্যতিক্রম চিঠি পাওয়া গেছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়েছে। এতে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। পরে মসজিদের দুই তলায় গণনার কাজ শুরু হয়। এ সময় বাংলাদেশ ফুটবল দলকে ২০৩০ সালের বিশ্বকাপে দেখতে চেয়ে পাঠানো এক ভক্তের একটি চিঠি পাওয়া যায়।

চিঠিটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহির

হে আল্লাহ,

আপনি সর্বশক্তিমান, আপনার কাছে আমার একটি প্রিয় স্বপ্নের কথা জানাচ্ছি। আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমায় প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মঞ্চে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক। হে আল্লাহ, আমাদের দেশে ফুটবলকে উন্নতি করুন, খেলোয়ারদের সফলতা দান করুন এবং বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে গৌরবের সঙ্গে তুলে ধরার তাওফিক দিন। আমিন…

(একজন স্বপ্নবাজ বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমী)

এর আগে, গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ৩ মাস ২৭ দিন পর মসজিদের দানবাক্স থেকে ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। এ ছাড়া, পাওয়া গিয়েছিল বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার

 

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোহাম্মদ নাহিদ হাসনা খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।