পাটওয়ারীর অতীত রাজনৈতিক জীবনের কথা উল্লেখ করে গণধিকার পরিষদ সভাপতি নুর বলেন, ব্যাচমেট হিসেবে আমি যতদূর জানতাম নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিবিরের সঙ্গে ছিলেন। তখন শিবিরকে টর্চার করা হতো- বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি তার পরিচয় গোপন করে ঢুকেছিলেন জুনায়েদ সাকির ছাত্র সংগঠন ছাত্র ফেডারেশনে। যখন ছাত্র ফেডারেশন নেতারা বুঝতে পারেন তিনি শিবিরের সঙ্গে ইনভলব এবং যখন ছাত্র ফেডারেশন থেকে তাকে অব্যাহতি দেবে সেই জায়গা থেকে তিনি তখন সীমান্ত হত্যা নিয়ে কিছু মানববন্ধন করে পরিচিতি পান। পরে তিনি এবি পার্টির মঞ্জু ভাইদের সঙ্গে ঘুরেছেন, আমাদের সংগঠনেও জয়েন করতে চেয়েছেন। কিন্তু আমরা তখন বিভিন্ন সংগঠন চেঞ্জ করা মানুষ তো এক জায়গায় স্থির হবে না ভেবে গুরুত্ব দিইনি।
‘একক ব্যক্তি হিসেবে আমি এ আন্দোলনের লিডিং পর্যায় থেকে এ আন্দোলনটাকে এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। আমি তো সবাইকে চিনি।’
নুরুল হক নুর আরও বলেন, যেমন আসিফ একেবারে শেষ পর্যন্ত একজন লড়াকু ছেলে। প্রত্যেকটা আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন। নাহিদ মাঝখানে অনেক নিষ্ক্রিয় ছিলেন। ডাকসু নির্বাচনের পরে ছাত্র অধিকার পরিষদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দ্বিমত ছিল; তিনি একটু নিষ্ক্রিয় ছিলেন- বাট তারও একটা পার্টিসিপেশন ছিল। পরে ‘বিশাল বিশাল নেতা’- এদের কোনো একটা মিছিলেও দেখি নাই।
‘বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায় কোনোদিন একটা কোনো আন্দোলন সংগ্রাম মিছিল-মিটিংয়ে আমরা তাকে পাইনি’ যোগ করেন তিনি।
সূত্র: যুগান্তর

ডেইলি দেশ নিউজ ডটকম ডেস্ক 























